Saturday , November 28 2020
Breaking News
Home / Education / বিসিএস ক্যাডারের স্বপ্ন ছোঁয়ার গল্প

বিসিএস ক্যাডারের স্বপ্ন ছোঁয়ার গল্প

আজ আমি আমার কিছু অনুভূতি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব। ৩০তম বিসিএস পরীক্ষার রেজাল্টের জন্য আমরা সবাই বেশ কিছুদিন ধরেই অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম। অবশেষে রেজাল্ট বের হল৷ তারিখটা ছিল ২ নভেম্বর। সেদিন ছিল আমার জন্মদিন। কী অদ্ভুত, তাই না? আনন্দে আমার চোখে পানি এসে গিয়েছিল। জীবনে এইবারই প্রথম স্রষ্টার কাছ থেকে অনেক বড় একটা birthday gift পেলাম। ব্যাপারটাকে আপনারা স্রেফ মিরাকল কিংবা কাকতালীয়, যা-ই বলুন না কেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, Miracles happen when you believe. হ্যাঁ, মিরাকল ঘটে! আমরা অনেকেই জানি, আমাদের সীমাবদ্ধতাগুলো কোথায়।

অথচ, আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই, আমাদের শক্তির জায়গাগুলোকে চিনতে ভুল করি৷ তাই, আমরা সাহস করে বড় কিছু চাইতে পারিনা। ব্যাপারটা যে একেবারেই সহজ, তা বলছি না। তবে যারা আমার মত মিরাকলে বিশ্বাস করেন এবং মিরাকল ঘটানোর জন্যে কাজ করে যান, তারা মাঝে-মধ্যেই ওরকম অদ্ভুত সুন্দর মুহূর্তগুলোর দেখা পান।

বিসিএসের ব্যাপারে আমার এই passion এবং feeling কিন্তু খুব বেশি দিনের নয়। বরং আমার অনেক সহযোদ্ধার তুলনায় আমাকে অনেক কম সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। আমার একটা সমস্যা ছিল। সমস্যাটা হলো, আমি আসলে কী হতে চাই — এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে আমার সময় লেগেছে প্রায় ২০ বছর। অথচ, সিদ্ধান্ত নেয়ার পর লক্ষ্যে পৌঁছতে সময় আমি সময় নিয়েছি মাত্র এক বছর। আমার সেই কষ্টের দিনগুলোর কথা বেশ মনে আছে। আমার চিন্তা-ভাবনা, কাজ — সবকিছুকেই আমি এককেন্দ্রিক করে ফেলেছিলাম —- আমার স্বপ্নকেন্দ্রিক। মাঝেমাঝে নিজের ভেতরটা বিদ্রোহ ঘোষণা করত, বেঁকে বসত; তবু নিজের সাথে যুদ্ধ করেছি সবসময়৷ আমি নিজেকে প্রায়ই বলতাম, If you are not thinking about your dream, you are not thinking at all. আরো বলতাম, If you are not thinking about BCS, you are not thinking at all. হ্যাঁ, এই BCS –ই আমার স্বপ্ন ছিল৷ আমার dream cadre ছিল BCS Customs & Excise. ৩০তম বিসিএস ছিল আমার প্রথম বিসিএস পরীক্ষা — প্রথম প্রিলিমিনারি, প্রথম লিখিত, প্রথম ভাইভা। শুধু তা-ই নয়, এই চাকরিটা আমার জীবনের প্রথম চাকরি৷ ৩০তম বিসিএস-এর ভাইভা ছিল আমার জীবনের প্রথম জব ইন্টারভিউ৷ তাই সবকিছু মিলিয়ে আমি একটু বেশিই excited ! স্বপ্ন ছুঁয়ে ফেললে যেমনটা হয় আর-কি! আমি সবসময়ই আমার স্বপ্নের প্রতি sincere থেকেছি; তাই বোধ হয়, আমার স্বপ্নও শেষ পর্যন্ত আমার প্রতি sincerity দেখিয়েছে৷ স্বপ্ন এবং বাস্তবতার এই যে mutual interaction — এটা সত্যিই বেশ দারুণ!! আমি এটাকে খুব enjoy করছি; জানি, আপনারাও করবেন।

যখন আমি CUET থেকে Computer Science & Engineering এ আমার গ্র্যাজুয়েশন শেষ করলাম, আমি তখন বুঝতে পারছিলাম না, সামনের দিনগুলোতে আমি কী করব। আমি ব্যবসা শুরু করেছিলাম৷ খুব ইচ্ছে ছিল, Business Magnet হবো। ব্যবসা, বই পড়া, বিভিন্ন blog এবং facebook-এ বন্ধুদের সাথে feelings শেয়ার করা, movie দেখা, গান শোনা — এসব নিয়েই বেশ ছিলাম৷ এরই মাঝে হঠাৎ মাথায় একটা পুরনো ভূত নতুন করে চাপলো — লেখক হবো, দার্শনিক হবো। ৩০তম বিসিএস পরীক্ষার circular হওয়ার মাত্র কয়েকদিন আগে আমার দুই বন্ধু — সত্যজিত এবং পলাশের কাছ থেকে BCS সম্পর্কে জানলাম। সেইদিন আমার BCS-এ প্রথম হাতেখড়ি। আমার এখনও মনে আছে, অনেক ভাল লেগেছিল সেদিন। কেন জানি বারবারই মনে হচ্ছিল, আমার স্বপ্নের পালাবদল হওয়ার সময় এসেছে; সাথে অবশ্য লেখক হওয়ার ঝোঁকটাও ছিল। Civil Service এ join করলে writer হওয়াটা সহজ হবে — এমনটা মনে হয়েছিল৷ আমার স্বপ্নযাত্রা শুরু হলো। আমার জীবনের ছোট-বড় যেকোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমার মা-বাবা এবং ছোট ভাইয়ের সমর্থন পেয়েছি সব সময়। পরিবার পাশে থাকলে মনের জোর অনেকটাই বেড়ে যায়। আমি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি, বাবা-মায়ের আশীর্বাদে আমি আমার জীবনের অনেক বড় বাধা পার হয়ে এসেছি এবং সামনেও হবো। সাথে ছিল বন্ধুরা, শুভাকাঙ্খীরা।

আপনাদের মনে হতেই পারে, কীভাবে বিসিএস-এর মতো এত competitive একটা exam-এর বাধা পার হবো! এটা স্বাভাবিক৷ আমারও মনে হতো। আমার ভাবনাগুলো সবসময়েই আমার স্বতন্ত্র ছিল। আমি বিশ্বাস করি না যে, অন্য ১০ জনের সাথে আমার ভাবনাগুলো না মিললেই সেগুলো ভুল হয়ে যায়৷ আমি একজন Computer Engineer, এখন MBA পড়ছি Dhaka University-র IBA-তে, MDS পড়ছি Dhaka University-তে৷ আমি সবসময়েই শুনে এসেছি, BCS নিয়ে ভাবনা আমার জন্যে স্রেফ পাগলামি ছাড়া আর কিছু নয়৷ শুনে আমার বেশ ভাল লাগত, জেদ চেপে যেত; কারণ আমি বিশ্বাস করি, আমার পাগলামি আমার জন্যে অনেক বেশি important! আপনার স্বপ্নপূরণে পাগল হতে শিখুন। Work hard — শুধু এই পুরনো slogan নিয়ে বসে থাকার দিন শেষ; এর সাথে এখন যুক্ত হয়েছে Work smartly. হ্যাঁ, আপনাকে smartly পরিশ্রম করতে হবে।

আপনাদের মধ্যে যারা আমাদের উত্তরসূরি, তাদের উদ্দেশ্যে দু’টো গল্প বলছি৷
প্রথম গল্প:
একটা কাক গাছের উঁচু ডালে কোনও কাজ না করে অলসভাবে বসে ছিল৷ ঠিক সে সময়ে ওই পথ দিয়ে এক খরগোশ যাচ্ছিল৷ খরগোশ কাককে জিজ্ঞেস করল, “আচ্ছা ভাই, আমিও কি তোমার মতো কোনও কাজ না করে এই গাছের নীচে বসে থাকতে পারি?” কাক বলল, “নিশ্চয়ই পারো!” খরগোশ তা-ই করল।

কিছুক্ষণ পর সেই পথ দিয়ে এক শেয়াল যাচ্ছিল৷ শেয়াল খরগোশটাকে বসে থাকতে দেখে খপ্ করে ধরে খেয়ে ফেলল।

এই গল্পের lesson কি? lesson হলো, যখন আপনি এতটাই উঁচু আসনে বসে আছেন যে, কেউ আপনাকে ছুঁতে পারবে না, তখন আপনি হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারেন। তবে, এর আগে পরিশ্রম করে আপনাকে সেই আসনে বসার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। ভাবুন, আপনারা এখন কোন আসনটাতে বসে আছেন।
দ্বিতীয় গল্প :
শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে একটা ছোট্ট পাখি সাইবেরিয়া ছেড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ পাখিটা জমে গিয়ে বরফের টুকরোর মতন টপ্ করে মাটিতে পড়ে গেল। বেশ কিছু সময় পড়ে সেই পথ দিয়ে একটা গরু হেঁটে যাওয়ার সময় পাখিটার উপর মলত্যাগ করল। কিছুক্ষণ পর গোবরের উষ্ণতায় পাখির গায়ের সমস্ত বরফ ঝরে গেল৷ পাখিটা তখন খুশিতে গান গাইতে শুরু করল। কাছেই একটা বেড়াল বসেছিল। গান শুনে বেড়ালটা গোবর থেকে পাখিটাকে বের করে খেয়ে ফেলল।

এই গল্পের lesson গুলো কী কী?
প্রথম lesson হলো, Not everyone who drops shit on you is your enemy. এর মানে হল, যারা আমাদের উপরে ময়লা ছিটিয়ে দেয় অর্থাৎ আমাদের বকা-ঝকা করেন, তাদের সবাই কিন্তু আমাদের শত্রু নন; অনেকেই আমাদের ভাল চান। এই দলে আছেন, আমাদের বাবা-মা, সিনিয়ররা, স্যাররা।

দ্বিতীয় lesson হলো, Not everyone who gets you out of shit is your friend. এর মানে হল, অনেকেই আছেন যাঁরা আমাদের বিপদ থেকে মুক্ত করার কথা বলে হাত বাড়িয়ে দিয়ে আরো বড় বিপদে ফেলে দেন। এই দলে আছেন, আমাদের আশে-পাশের সেইসব মহাপণ্ডিত ব্যক্তিরা, যাঁরা বলেন, “বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে আর কি হবে? তার চেয়ে অন্য কিছু কর৷” অথবা বলেন, “তোমাকে দিয়ে বিসিএস হবে না।” আমি মনে করি, If you cannot help a person to do something, you have no right to demoralize him/her saying that he/she cannot do it.

আমার মনে হয়, তৃতীয় lessonটাই সবচেয়ে important. সেটি হলো, When you are in the shit, always keep your mouth shut!! এর মানে হল, যখন আপনি বিপদে আছেন, তখন সবসময় আপনার মুখ বন্ধ রাখবেন। রেজাল্ট বের হওয়ার আগের ১-১.৫ বছর আমি মুখ বন্ধ রেখেছি। অনেক কথা জমে গেছে; সেই কথাগুলোই এখন আপনাদের বলছি। Success talks the loudest. Success can buy silence. আপনার সাফল্য সবার মুখ বন্ধ করে দিতে পারে। তাই, নিজের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিন; অন্যদের প্রতি নয়।

Steve Jobs এর একটা চমৎকার পরামর্শ দিয়েছিলেন, Stay Foolish, Stay Hungry. আমিও বলছি, সাফল্য লাভ করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত বোকা থাকুন, বিসিএস-এর জন্যে ক্ষুধার্ত থাকুন, পড়াশোনা করুন, চোখ-কান খোলা রাখুন; মুখ নয়।
এই লেখা যখন আপনার হাতে পৌঁছবে, তার ঠিক একদিন পরেই তো প্রিলিমিনারি পরীক্ষা৷ তাই আপাততঃ দু’-একটা কথা বলেই বিদায় নিচ্ছি।

• বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্যে আপনি কী কী পড়বেন, সেটা ঠিক করার চাইতে অনেক বেশি জরুরী আপনি কী কী পড়বেন না, সেটা বুঝতে পারা। একটি অপ্রয়োজনীয় topic একবার পড়ার চেয়ে প্রয়োজনীয় topicগুলো বারবার পড়ুন।

• বিসিএস এবং পিএসসি’র নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্নোত্তরগুলো (সম্ভব হলে অন্ততঃ ২০০-২৫০ সেট) একবার skim through করে নিন।

• যে প্রশ্নগুলো একটু কঠিন মনে হয়, সেগুলো একাধিকবার পড়ুন৷ একটা fact শেয়ার করি৷ কিছু কঠিন প্রশ্ন থাকে যেগুলো বারবার পড়লেও মনে থাকে না। সেগুলো মনে রাখার চেষ্টা বাদ দিন৷ কারণ এই ধরনের একটি প্রশ্ন আরো কয়েকটি সহজ প্রশ্নকে মাথা থেকে বের করে দেয়।

• বাজারে কিছু মডেল টেস্ট এর গাইড বই পাওয়া যায়, যেগুলো আপনারা ইতোমধ্যেই solve করেছেন। প্রশ্নোত্তরগুলো আরো একবার পড়ে নিন৷ আচ্ছা ভাল কথা, মডেল টেস্টগুলোতে একটু কম marks পেলেও মন খারাপ করার দরকার নেই। আপনি কী জানেন, তার চেয়ে বেশি important হলো আপনি যা জানেন তা কতটা কাজে লাগাতে পারছেন৷

• সব প্রশ্নের উত্তর করতে যাবেন না ভুলেও। প্রিলিমিনারি highest marks পাওয়ার পরীক্ষা নয়, just পাস করার পরীক্ষা। কিছু difficult & confusing questions ছেড়ে দেওয়ার উদারতা দেখান, কিপ্টেমিটুকু আপাততঃ জমিয়ে রাখুন written exam-এর জন্য৷

• Blind guessing করতে যাবেন না, তবে কিছুটা intellectual guessing করলে কোনও দোষ নেই৷ ৬টা questions ছেড়ে zero পাওয়ার চাইতে ৩টা correct করে 1.5 পাওয়া অনেক ভাল।

• Competitive examগুলোতে ভাল করার ক্ষেত্রে প্রস্তুতির চাইতে আত্মবিশ্বাস বেশি কাজে লাগে। I’m the best এই ভাবটা exam hall-এ ধরে রাখুন। এটা magic এর মতো কাজ করে! একটি প্রশ্নের উত্তর নিজে ভুল করলে যতটা না মেজাজ খারাপ হয়, তার চাইতে অনেক বেশি মেজাজ খারাপ হয় কারো কাছ থেকে শুনে ভুল করলে৷ (তখন মনে হয়, ইসস্ এটা তো আমি নিজেনিজে পারতাম!)

• প্রশ্নে দু’-একটা ছোট-খাট ভুল থাকতেই পারে৷ এটা নিয়ে মাথা খারাপ করার কিছু নেই। সমস্যা হলে তো সবারই হবে, আপনার একার নয়! Nervousness দূর করার চেষ্টা করুন, কারণ ওতে প্রশ্নগুলো তো আর সহজ হবে না, বরং সহজ প্রশ্ন ভুল answer করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে৷ মনে রাখুন, Que sera, sera.

• এই সময়টাতে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে পড়া শেয়ার করা কমিয়ে দিন। বন্ধুদের preparation ভাল না শুনলে মন খারাপ হয়, আর preparation আপনার চেয়েও ভাল, এটা শুনলে কিন্তু মেজাজ খারাপ হয়! কেউ আপনার চাইতে ভাল student হওয়া মানেই এই নয় যে, উনি প্রিলিমিনারি পাস করবেন, আপনি করবেন না৷ শেষ হাসিটা হাসার চেষ্টা করুন।

• বৃহঃস্পতিবার সন্ধ্যায় এমন কিছু করুন যা করতে আপনি enjoy করেন। (আমি academic পড়াশোনা খুব একটা enjoy করি না। যতটুকু মনে পড়ে, প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আগের দিন সন্ধ্যায় আমি movie দেখেছিলাম, instrumental শুনেছিলাম৷) পরীক্ষার প্রয়োজনীয় জিনিস-পত্র গুছিয়ে নিয়ে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন৷ এক ঘণ্টা মাথা ঠিক রাখার জন্য দারুণ একটা ঘুম অনেক help করে।

• শুক্রবার সকালে কিছু পড়ার প্রয়োজন নেই৷ টেনশন ফ্রি থাকুন৷ বাবা-মা’র আশীর্বাদ আপনার সাথে আছে। আত্মবিশ্বাস রাখুন৷ রাস্তায় জ্যাম্ থাকতে পারে, তাই হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে বাসা থেকে রওয়ানা হয়ে পড়ুন৷ তাড়াহুড়ো করবেন না।

বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করা মূলতঃ চারটি বিষয়ের উপর অনেকংশে নির্ভর করে —- ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও বাংলা। এই চারটি বিষয় বেশি জোর দিয়ে পড়ুন৷ কোন-কোন segment-এ candidateরা সাধারণতঃ কম marks পায় কিন্তু বেশি marks তোলা সম্ভব, সেগুলো নির্ধারণ করুন এবং নিজেকে ওই segmentগুলোতে ভালভাবে prepare করে competition-এ আসার চেষ্টা করুন। বিসিএস পরীক্ষার difficulty level আমার কাছে কিছুটা overrated বলেই মনে হয়েছে। বিসিএস competitive exam, এটা যতটা সত্য, real competition-এ আসার মতো candidate খুব বেশি সাধারণতঃ থাকে না, এটা ততোধিক সত্য৷ তাই ভয়ের কিছুই নেই। আপনাদের জন্য শুভ কামনা রইলো। স্রষ্টা আপনাদের সহায় হোন।

About khan

Check Also

৫০০মধ্যে ৪৯৯ নম্বর পেল রেকর্ড করলেন উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্রী স্রোতশ্রী

পাঁচশ নম্বরের মধ্যে পেয়েছেন ৪৯৯ নম্বর। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে স্রোতশ্রী রায় নামে এক ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page