Monday , September 20 2021
Breaking News

গরুর দুধ আমাদের কি কি উপকার করে জানলে অবাক হবেন

দুধ নামের এই সাদা রঙের তরল বস্তুটি বাচ্চাদের কাছে খুবই অপছন্দের। শুধু বাচ্চারাই নয় অনেক পূর্ণবয়স্ক মানুষকেও দুধ দেখলে নাক সিটকাতে দেখা যায়। কিন্তু দুধ আমাদের দেহের জন্য সব চাইতে উপাদেয় খাবার। এই কথাটি অনেকে জেনেও মানতে চান না।প্রতিদিন খাবার তালিকায় মাত্র এক গ্লাস দুধ আমাদের দেহের যতোটা উপকার করে তা অন্য কোনো খাবার করতে পারে না। এই কারনেই দুধকে বলা হয় সর্বগুণ সম্পন্ন খাবার অর্থাৎ ‘সুপারফুড’।

মজবুত হাড় ও দাঁত
দুধ ক্যালসিয়ামের সব চাইতে ভালো উৎস। ক্যালসিয়াম আমাদের দাঁত ও হাড়ের গঠন মজবুত করে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম ভিটামিন ডি এর সাহায্যে আমাদের হাড় ও দাঁতে শোষিত হয়ে হাড় ও দাঁতের গড়ন দৃঢ় করে এবং দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। বাচ্চাদের ছোটকাল থেকেই দুধ পানের অভ্যাস করানো উচিৎ। এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই অভ্যাসটি অপরিবর্তিত থাকলে দেহে বার্ধক্যও আসবে দেরিতে।

মাংসপেশির গঠন উন্নত করে
দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা মাংশপেশির গঠনে অনেক বেশি সহায়তা করে। দুধ মাংশপেশির আড়ষ্টতা দূর করতে সক্ষম। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাদের জন্য প্রতিদিন ১ থেকে ২ গ্লাস দুধ অত্যন্ত জরুরী। বাচ্চাদের মাংশপেশির গঠন উন্নত করতেও প্রতিদিন দুধ পান করা প্রয়োজন।

ওজন কমাতে সহায়তা করে
প্রতিদিন ১ গ্লাস দুধ পান করলে অন্যান্য খাবারের চাহিদা অনেকাংশে কমে যায়। এবং নাস্তার সময় দুধ পান করলে অনেকটা সময় দুধ পেটে থাকে। ফলে আজেবাজে খাবারের চাদিহা কমে। এতে করে ওজনও কমে যায়। এছাড়াও দুধ একটি সর্বগুণ সম্পন্ন খাবার। দুধ পানের ফলে দেহে অনেক ধরণের পুষ্টিউপাদান পৌছায় যার কারণে যারা ডায়েট করে ওজন কমাতে চান তাদের জন্যও এটি সুপারফুড।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে
দুধে রয়েছে নানা ধরণের ভিটামিন মিলারেস ও নানা পুষ্টিগুণ। প্রতিদিন দুধ পান করলে ত্বকে এর বেশ ভালো প্রভাব পড়ে। ত্বক হয় নরম, কোমল ও মসৃণ। তাই প্রতিদিন খাবার তালিকায় ১ গ্লাস দুধ রাখা প্রয়োজন।

মানসিক চাপ দূর করে
দুধের অন্য একটি বড় গুণ হচ্ছে এটি মানসিক চাপ দূর করতে সহায়তা করে। দুধ পানে ঘুমের উদ্রেক হয়, যার ফলে মস্তিষ্ক শিথিল হয়ে যায় এবং মানসিক চাপ দূর হয়। সারাদিনের মানসিক চাপ দূর করে শান্তির নিদ্রা চাইলে প্রতিদিন রাতে ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধ পান করা উচিৎ।

বুক জ্বালাপোড়া বন্ধ করে
অনেক ধরণের খাবার আমরা খাই যার ফলে আমাদের অ্যাসিডিটি হয় এবং বুক প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া করে। এর সব চাইতে সহজ এবং সুস্বাদু সমাধান হচ্ছে দুধ পান। দুধ পানে পাকস্থলী ঠাণ্ডা হয় এবং বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা দূর হয়।

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
দুধকে বলা হয় সুপারফুড। দুধে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, ভিটামিন, মিনারেল রয়েছে যা দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি কলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্ত পরিষ্কারের পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। তাই প্রতিদিন মাত্র ১ গ্লাস দুধ দেহের সুস্থতায় সকলের পান করা উচিৎ।সূত্র – ওয়েবসাইট

About khan

Check Also

শা’রীরিক সম্পর্ক স্থায়ী হয় নারিকেল তেলে, জানুন ব্যবহারের নিয়ম

চুলের যত্নে নারিকেল তেলের ব্যাবহার আমাদের সবারই জানা। এছাড়া বহুবিধ কাজে ব্যবহার করা যায় এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *