Sunday , November 29 2020
Breaking News
Home / দেশ-বিদেশ / স্বামীকে স্বপ্নে দেখেই গর্ভবতী হয়ে পড়লেন বিহারের গৃহবধূ, বেরোলো চাঞ্চল্যকর তথ্য…

স্বামীকে স্বপ্নে দেখেই গর্ভবতী হয়ে পড়লেন বিহারের গৃহবধূ, বেরোলো চাঞ্চল্যকর তথ্য…

আমাদের জীবনে এমন অনেক ঘটনাই ঘটে যার সাথে বাস্তবের কোনো মিল নেই। এমন অনেক ঘটনার সাক্ষী আমরা থাকি যেটা সম্পূর্ণ কাকতালীয়। কীভাবে ঘটল এই ঘটনা তার কোনো ব্যখ্যা আমাদের কাছে থাকে না। যদিও পুরানে এরকম বহু ঘটনার সাক্ষী অনেকে থেকেছে যার কোনো বাস্তবতা নেই। কিন্তু কলিযুগে এরম কাকতালীয় ঘটনা সহজে শোনা যায় না।

সত্যযুগের বহু পুরান ঘেটে আমরা অনেক ঘটনার বিবরন পাই যার সাথে বাস্তবের কোনো মিল নেই। পুরোনো দিনের লোকেরা এসব বিশ্বাস করলেও এখনকার ছেলে-মেয়েরা এসব নিয়ে হাসি তামাশা করে। তদের কাছে এগুলো কুসংস্কার। বর্তমান যুগ বিজ্ঞানে বিশ্বাস করে। তারা যুক্তি দিয়ে সব কিছু খোজে। কিন্তু কিছু কিছু ঘটনা সত্যি কাকতালীয় হয়ে যায়।

তেমনই এক ঘটনার সুত্রপাত একটি মহিলাকে নিয়ে। সত্যযুগে ঋষি মুনিদের দেওয়া ফল খেয়ে অনেক মহিলাই গর্ভবতী হয়ে পড়ত। সত্যযুগে মানুষ এসব বিশ্বাসও করত, কিন্তু এখন বিজ্ঞানের যুগে এসব কেউ মানে না। এসব এখনকার মানুষের কাছে শুধুমাত্র কুসংস্কার। তাই কলিযুগে এসব বিশ্বাসযোগ্য নয়। কিন্তু এমন ঘটনাই ঘটেছে কলিযুগে।

ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের ভাগলপুরে। সেখানে এক মহিলা হঠাৎ তিন মাসের গর্ভবতী হয়ে পরে। কিন্তু তার স্বামী সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে কলকাতায় কর্মরত। এই ঘটনাটি খুবই কাকতালীয় মনে হলেও এই নিয়ে শোরগোল পরে যায়। ওই গৃহবধূর এই অবস্থা লক্ষ করে তার ননদ। সে তার দাদাকে পুরো বিষয়টা খুলে বলে।

তার স্বামী তার কাছে এই ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি তাকে অর্থাৎ তার স্বামীকে স্বপ্নে দেখেছিলেন আর সেই কারনে তিনি গর্ভবতী হয়ে পরেছেন। এরপর শুরু হয় তুমুল অশান্তি। ওই মহিলার স্বামী কিছুতেই বিশ্বাস করতে রাজি নন এইসব গল্প।

আজকের দিনে তার কাছে এটা গাজাখোরি গল্প বলেই মনে হয়েছে। তিনি তার স্ত্রীকে সন্দেহ করতে থাকেন। কিন্তু তার স্ত্রী বারবার তার কথাই বলতে থাকে। কোনোভাবেই তার বাড়ির লোক বিশ্বাস করতে রাজি নন। এরপর তাকে নিয়ে সালিশি সভা বসে গ্রামের মোড়লের সাথে। সেইখানে বিচার হয়। সেখানে তার স্বামী, তার স্ত্রীকে বাড়িতে রাখতে অস্বীকার করেন।

এই দম্পতির একটি দেড় বছরের মেয়ে আছে তারপরেও এই ঘটনা ঘটে। এই অবস্থায় আসন্ন বাচ্চাটির DNA টেস্ট করার কথা ওঠে। তবে মেয়েটির ফোনে অন্য একটি যুবকের নম্বর পাওয়া যায়। তার স্বামী দাবি করেন ওই সন্তান ওই যুবকেরই। পুলিস এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এর পরের ঘটনা এখনও অজানা।

About khan

Check Also

মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন থা’নার ওসি

সাধারন মানুষের কল্যানে সব সময় কাজ করে যাচ্ছেন চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থা’নার অফিসার্স ইনচার্জ ওসি মাহবুবুর ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page