Monday , September 27 2021
Breaking News

সময়মতো স্কুলে না আসায় প্রধান শিক্ষককে খুঁটির সঙ্গে বাঁ’ধল এলাকাবাসী!

জানা গেছে, ইতিমধ্যে ওই দুই অভিযুক্তকে সোমবার রাতেই গ্রে’ফতার করে তাদের আ’দালতেও চালান করেছে পুলিশ। বি’চারে জেলা মুখ্য বি’চারক রিম্পা রায় প্রধান শিক্ষককে আটকে রাখার জন্য প্রধান দুই আসামিকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কিন্তু কয়েকদিন যেতে না যেতেই ফের আগের আ’চরণে ফিরে যান প্রধান শিক্ষক বিপ্লব। গত আগস্ট মাসে মিড-ডে মিলে মুড়ি ও চানাচুর দিলে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষু’ব্ধ হয়ে ওঠেন। এছাড়াও প্রধান শিক্ষক আগের মতোই দে’রি করে আর অনিয়মিতভাবে বিদ্যালয়ে আসতে থাকেন। এভাবে টানা প্রায় তিন মাস চলার পর বেশ ক্ষু’ব্ধ হন অভিভাবকসহ এলাকাবাসী।

এ নিয়ে অভিভাবকরা অনেক চেষ্টা করেও ওই শিক্ষকের স্বভাব বদলাতে পারেননি। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে অ’ভিযোগ করেও ফল মেলেনি। প্রশাসন অভিভাবক, এলাকাবাসী আর শিক্ষার্থীদের কোনো কথাই কানে তোলেনি।

একদিন গ্রামবাসীরা ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তা’লাবন্দি করেন। পরে শিক্ষকদের উদ্ধার করা হলেও বিদ্যালয়ে প্রায় সপ্তাহখানেক ক্লাস বন্ধ রাখা হয়। বিকল্প হিসেবে পার্শ্ববর্তী দুর্গামন্দিরে ক্লাস নিতেন শিক্ষকরা। প্রধান শিক্ষক নিজের আচরণ না বদলালে এ বিদ্যালয় খোলা হবে না বলে জানান এলাকাবাসী। বিষয়টি মেটা

সেই রেশ ধরে সোমবার (১৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে প্রধান শিক্ষক বিপ্লব বিদ্যালয়ে এলে তাকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে ফেলেন এলাকাবাসী। তবে খবর শোনার কয়েক ঘণ্টা পর কর্তৃপক্ষ প্রধান শিক্ষককে মুক্ত করেন। মুক্ত হয়েই স্থানীয় থানায় এ নিয়ে একটি মা’মলা দায়ের করেন বিপ্লব গ

এদিকে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষকের বি’রুদ্ধে শুধু এই বিদ্যালয়েই নয় আগের দুই প্রতিষ্ঠানেও একাধিক অ’ভিযোগ রয়েছে। সেই কারণে তিনবার শা’স্তিস্ব’রূপ বদলিও হয়েছেন তিনি। কিন্তু তবুও তার আ’চরণে কোনো পরিবর্তন ঘ’টেনি।

আদালত বিপ্লব গঙ্গোপধ্যায়ের পক্ষে রায় দিলেও পুরুলিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এই ঘ’টনার ত’দন্তে কমিটি গঠন করেছে। সেই ত’দন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ওই প্রধান শিক্ষককে তলব করা হবে বলে জানা গেছে।বিদ্যালয়ে সময়মতো উপস্থিত না হলে শা’স্তি দেয়া হয় শিক্ষার্থীকে। যা চিরচরিত নিয়ম।

তবে সে নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি বিদ্যালয়ে। সময়মতো বিদ্যালয়ে না আসায় কোনো শিক্ষার্থীকে নয়; খোদ প্রধান শিক্ষককে শাস্তি হিসেবে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হলো। আর সেই শাস্তি অবশ্যই দিল অভিভাবকরা। সম্প্রতি এ ঘ’টনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলায় ঝালদার পুস্তি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। আর শা’স্তিপ্রা’প্ত সেই প্রধান শিক্ষকের নাম বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়।

এক সর্ব ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায় পুঞ্চা থানার বদঙা গ্রামের বাসিন্দা। তার বি’রুদ্ধে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের অ’ভিযোগ, যোগদানের পর চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে স্কুলে সময়মতো আসেন না বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়। এছাড়াও মিড-ডে মিলে মান সম্পন্ন খাবার দেয়া হতো না। বিভিন্ন অ’ভিযোগ নিয়ে তার কাছে গেলে কক্ষে তাকে পাওয়া যেতো না।

About khan

Check Also

স্বামী ছাড়া মা হতে পারায় নুসরাত জাহানকে সম্মান জানালেন শ্রীলেখা মিত্র

কলকাতার অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান মা হওয়ার আগে থেকেই তাকে নিয়ে নানা কথা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *