Wednesday , September 22 2021
Breaking News

অবিশ্বাস্য, ২৭ বছরের পুরনো ভ্রূ’ণ থেকে জন্মাল ফুটফুটে সন্তান!

সন্তানের বাবা-মা হওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন দম্পতি। কিন্তু আশাহত দম্পতির জীবনেই ঘটল অবিশ্বাস্য এই ঘটনা। হিমশীতল তাপমাত্রায় রেখে দেওয়া ২৭ এবং ২৫ বছরের পুরনো দু’টি ভ্রূণ থেকেই জন্ম নিল ফুটফুটে দুই কন্যাসন্তান। আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তানের বাবা-মা হতে পেরে অত্যন্ত খুশি ওই দম্পতি।

টিনা গিবসন এবং তার স্বামীর দাম্পত্য বেশ সুখের। বিয়ে হয়েছে বেশ কয়েকবছর আগে। তবে সন্তান হচ্ছিল না। বাধ্য হয়ে চিকিৎসকের কাছে যান তারা। নানা ধরনের পরীক্ষানিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাদের আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তানের বাবা-মা হওয়ার পরামর্শ দেন। শুক্রাণু কিংবা ডিম্বানু দানের কথা শুনেছিলেন ওই দম্পতি। তবে ভ্রূণ যে সংরক্ষণ করা যায়, তা জানতেন না তারা। অবাক হয়ে যান। তবে তারা চিকিৎসকের ওপর ভরসা রাখেন।

বহু বছর ধরে সংরক্ষিত ভ্রূণ তার গর্ভে প্রতিস্থাপন করা হয়। হিমশীতল তাপমাত্রায় থাকা সেই ভ্রূণের বয়স কমপক্ষে ২৭ বছর। ২৯ বছর বয়সি টিনা এখন সেই ভ্রূণ থেকে জন্ম দিয়েছেন শিশুকন্যার। আইভিএফ পদ্ধতির মাধ্যমে ডিম্বাণু এবং শুক্রাণুর মিলন ঘটানো হয়। তারপর তা জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়। সারা বিশ্বে তা প্রতিস্থাপন করা হয়।

একজন নয়, এভাবেই পরপর দু’টি সন্তানের মা হয়েছেন টিনা। তার প্রথম শিশুকন্যাটি যে ভ্রূণ থেকে জন্ম নিয়েছে সেটি ২৫ বছরের পুরনো। ১৯৯২ সালে অক্টোবরে এই দু’টি ভ্রূণ সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে ন্যাশনাল এমব্রায়ো ডোনেশন সেন্টার থেকে জানানো হয়েছে। পরে সেই দু’টি ভ্রূণই দত্তক নেন টিনা এবং তার স্বামী।

২০১৭ সালে ২৫ বছরের পুরনো ভ্রূণ থেকে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। তার বয়স এখন প্রায় ৩ বছর। ২৭ বছরের পুরনো ভ্রূণ থেকে জন্ম নেওয়া কন্যাসন্তানের বয়স মোটে ২ মাস। টিনা জানান, একসময় সন্তানের বাবা-মা হওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন দু’জনে। ফ্রোজেন ভ্রূণের মাধ্যমে সন্তান জন্ম নেওয়ায় বেজায় খুশি তারা। আপাতত দুই মেয়েকে নিয়েই হাসিখুশি জীবনের স্বপ্ন দেখছেন ওই দম্পতি। সূত্র: বিবিসি, সিএনএন, এনবিসি নিউজ

About khan

Check Also

বিড়াল উদ্ধার করে ১২ লাখ টাকা পুরস্কার পেলেন ৪ বাংলাদেশি

গত সপ্তাহে দুবাইয়ে ভাই’রাল বিড়াল উ’দ্ধারের ভিডিও দেখে চারজন প্রবাসী সংযু’ক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *