Sunday , November 29 2020
Breaking News
Home / News / বিয়ে করে ডাবল সেঞ্চুরী পার করলেন এই যুবক

বিয়ে করে ডাবল সেঞ্চুরী পার করলেন এই যুবক

ইচ্ছে ছিল ৭০০ বিয়ে করবেন। হল না। থামতে হল ২৮৬ নম্বরে এসে। ভাবতে পরেন এতো গুলো বিয়ে করারা কথা , তাও আবার ১৪ বছরেই । এমনই ঘটনার কথা সামনে এসেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে । এক ব্যক্তি বিয়ে করেছেন ২৮৬টি , এ কাজটি করেছেন মাত্র ১৪ বছরে। একুশ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন , এখন পয়ত্রিশ। ডাক নাম তার রাব্বি। পুরো নাম জাকির হোসেন ব্যাপারী।

বিয়ে আর প্রতারণার মধ্যে দিয়েই চলছিল রাব্বির জীবন। তিনি কোনো চাকরি করেন না । করেন না ব্যবসাও। তবুও চলাচল করেন দামি গাড়িতে। দামি দামি পোশাক পরিধান আর পটু কথায় ভোলাতেন তরুণীদের। গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার আদিত্যপুর থানার দূর্গাপুর। পিতার নাম মৃত মনির হোসেন। বর্তমান ঠিকানা আহসান মোল্লা রোড, আইচপাড়া, টঙ্গী। আর বিয়েটা করার আসল উদ্দ্যেশ ছিল নতুন শরীরের স্বাদ এবং টাকা কামানো। আর শুধু বিয়ে নয়, গোপনে ভিডিও ধারণ করে প্রতারণা করতেন।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজেকে লন্ডনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী হিসেবে পরিচয় দিত। দামি দামি পোশাক পরিধান আর পটু কথায় ভোলাতেন তরুণীদের । এর পর তাদের সঙ্গে বিয়ে আর প্রতারণার মধ্যে দিয়েই চলছিল রাব্বির জীবন । তিনি কোনো চাকরি করেন না । করেন না ব্যবসাও। তবুও চলাচল করেন দামি গাড়িতে। ২০০৫ সাল মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন। এরপর থেকে প্রতি মাসেই তিনি একটি করে বিয়ে করেছেন। তার বিয়ে করা এক স্ত্রীসহ ( শাপলা বেগম) একটি চক্র আছে। তারপর শ্বশুর বাড়ি থেকে নানা কায়দায় অর্থ হাতিয়ে নেয়। এটাই তার মূল ব্যবসা।

পুলিশ জানিয়েছেন , প্রতারণার ফাঁদ পেতে তরুণীদের সর্বস্ব লুটে নিতে রাব্বির রয়েছে এক সিন্ডিকেট চক্র। সংঘবদ্ধ ওই চক্রে রয়েছে নকল কাজী ও মৌলভি। এ ছাড়া চক্রের কিছু নারী-পুরুষ নিজের মা-বাবা ও ভাইবোন বানিয়ে জাকির তরুণীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেন। এভাবে বিয়ের নামে গত দুই বছরে জাকির ২২ ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী নারীকে ধর্ষণ করেছেন।

About khan

Check Also

একটি আস্ত সাপকে গিলে খাচ্ছে একটি সবুজ রঙের ব্যাঙ, ঝড়ের গতিতে ভাইরাল ভিডিও

সাপের অন্যতম প্রিয় খাদ্য ব্যাং। সাধারণত দেখা যায় যেকোনো বড় ছোট সাপ খুব সহজে একটি ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page