Thursday , September 23 2021
Breaking News

বাবা-মা যেন পাগল প্রায়, বাঁচতে চায় তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী শম্পা

রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে (সেশন ২০১৬-১৭) অধ্যায়নরত শম্পা সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ ম’রণব্যা’ধি ক্যা’ন্সারে আ’ক্রা’ন্ত। তিন বোনের সংসারে শম্পাই সবার বড়।

কৃষক বাবা, গৃহিণী মা আ’র্থিক সংক’টের কারণে বাকি দুই বোনকে পড়াশোনা করাতে পারেননি। শুধু শম্পাই পড়াশোনা শিখছিলেন। আর ক্যা’ন্সার বাসা বেঁ’ধেছে তার শরীরেই। কৃষক বাবার পক্ষে শম্পার চিকিৎসা ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়।ভিডিওটি দেখতে নিচের ছবির উপর ক্লিক করুন

প্রায় প্রতিদিনই তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ, প্রতিটি রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন গুলোর কাছে ফোন দিয়ে কা’ন্নাকা’টি করছেন শম্পার বাবা মা।

ইতোমধ্যে তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আশরাফ হোসেন ও তিতুমীরের সকল সংগঠন যৌথ ভাবে “ক্যা’ন্সারে আ’ক্রা’ন্ত সম্পার জন্য আমরা” স্লো’গানে শম্পার চিকিৎসার পাশে দাড়াঁনোর উদ্যোগ নিয়েছেন।ভিডিওটি দেখতে নিচের ছবির উপর ক্লিক করুন

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শম্পা দীর্ঘ ৪ মাস ধরে পৌ’ষ্টিকত’ন্ত্রজনীত সম’স্যায় ভু’গলে ও প্রথমত অনেক ডাক্তারই তার রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে উনারা নিশ্চিত হলেন যে, শম্পা পৌ’ষ্টিকতন্ত্র’ জনীত রো’গে আ’ক্রা’ন্ত।

পরে ঢাকার ফরায়েজী হাসপাতালে সম্পার অপা’রে’শন করানো হয়। কিন্তু দূ’র্ভাগ্যজন’কভাবে অপারেশন দিন ডাক্তাররা দিলেন আরেক দুঃ’সংবাদ। শম্পার অ’পারে’শনের স্থানে ইন’ফেকশন হয়ে তা ক্যা’ন্সা’রের রুপ নিয়েছে। আর এ চিকিৎসার জন্য আগামী ৬ মাস শম্পাকে হাসপাতালে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তাররা।

ইতোমধ্যে অপা’রে’শন করানো সহ আনুষাঙ্গিক খরচ বাবদ ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন শম্পার পরিবার৷ সম্পার কৃষক বাবা যার সব কটি টাকাই জায়গা জমি বিক্রি করে এবং সম্পত্তি ব’ন্ধক রেখে জো’গাড় করেছেন। এমন অবস্থায় শম্পার বাবা মা যেন পাগ’ল প্রায়। মেয়েকে বাঁচাতে পারবেন তো?

প্রায় প্রতিদিনই তিতুমীরের পরিচিতি সকল সংগঠনের কাছে ফোন দিয়ে কা’ন্নাকা’টি করছেন তারা। তাদের পাঁ’জর ভা’ঙা অনুরো’ধ “আমার মেয়েকে বাঁ’চান” আমাদের সাহায্য করুন।

তিতুমীর কলেজের সকল সংগঠন থেকে জানানো হয় যে তারা ইতোমধ্যে শম্পার পাশে এসে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিটি সংগঠন থেকেই বলা হয়েছে ক্যা’ন্সা’সে আ’ক্রা’ন্ত শ’ম্পার পাশে আমরা তিতুমীরিয়ানরা আছি। আমরা যেভাবেই হোক শম্পার পরিবারের পাশে দাঁড়াবো। শিক্ষার্থী শম্পা বর্তমানে ঢাকার ফরায়েজি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

About khan

Check Also

রাতে ৯ বার, সকালে না দেওয়ায় যুবকের কাণ্ড

সারা রাতভর অ’বৈধ মেলামেশার পর প’র’কীয়া প্রে’মিক দুই শেষ ফেলার উদ্দেশ্যে রাস্তার পাশে ফে’লে দিয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *