Wednesday , November 25 2020
Breaking News
Home / Beauty / ১ মাসেই গায়ের রঙ ফর্সা করতে চাইলে যেনে নিন রোজ সকালে যা করবেন
১ মাসেই গায়ের রঙ ফর্সা করতে চাইলে যেনে নিন রোজ সকালে যা করবেন

১ মাসেই গায়ের রঙ ফর্সা করতে চাইলে যেনে নিন রোজ সকালে যা করবেন

রোজ সকালে যা করবেন- গায়ের রঙ আরও একটু ফর্সা কমবেশি আমরা সকলেই করতে চাই। কিন্তু কীভাবে? ফর্সা তো দূরে থাক, রোজ রোজ রোদে পুড়ে আরও যেন কালো হয়ে যায় গায়ের রঙ।

তবে বেশী চিন্তা করতে হবে না, ত্বকের রঙ ফর্সা করতে চাইলে রোজ সকালে ছোট্ট একটি রুটিন মেনে চলুন। মাত্র ৭ দিনে লক্ষ্য করতে পারবেন পার্থক্য, ত্বকের রঙটা হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত। ১ মাস টানা মেনে চললে দারুণ উজ্জ্বল আর ফর্সা হয়ে উঠবে আপনার রঙ।

১) ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস উষ্ণ পানি খাবেন খালি পেটে। চাইলে সামান্য মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। এক গ্লাস উষ্ণ পানি কেবল ত্বক নয়, আপনার বাকি দেহকেও সতেজ করে তুলবে। এবং আপনার পরবর্তী রূপচর্চার জন্য ত্বককে প্রস্তুত করবে।

২) মুখে ভাপ নিন। একটি হাঁড়িতে গরম পানি নিয়ে সেই বাষ্প মুখে লাগান কয়েক মিনিট। খুব বেশী কাছ থেকে বাষ্প লাগাবেন না। খুব বেশী উত্তাপও যেন না লাগে। মুখে ভাপ দেয়া হলে পরিষ্কার তুলো দিয়ে মুখ মুছে নিন।

৩) এবার আসে ফেস মাস্কের পালা। একটি টমেটো নিন। মাঝ থেকে কেটে দুভাগ করে ভেতরের পাল্প সবটুকু বের করে নিন। এর সাথে দিন আধা চামচ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ, সামান্য মধু। সম্ভব হলে ১ টেবিল চামচ শসার রসও দিন। লেবু ও টমেটো ন্যাচারাল ব্লিচ হিসাবে কাজ করবে, দুধ যোগাবে ময়েশ্চার, মধু দূর করবে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ আর শসা কমাবে অতিরিক্ত তেল।

এই ফেস মাস্কটি মুখে ও গলায়-হাতে কিংবা অন্যান্য জায়গায় মাখুন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট রাখুন। রেখে ধুয়ে ফেলুন ঠাণ্ডা পানি দিয়ে। মুখ মুছে হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন থাকলে অবশসই সানস্ক্রিন ক্রিম মাখুন।

৪) ত্বকের রঙ ফর্সা করতে রোজ সকালে এক গ্লাস গাজরের জুস খাওয়া অভ্যাস করুন।

পোষ্টটা কেমন লেগেছে কমেন্টেস করে জানাবেন, আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই। ধন্যবাদ……

About khan

Check Also

মুখের একই স্থানে বারবার ব্রণ হওয়ার কারণ

অনেকেরই মাসের পর মাস একই স্থানে ব্রণ হয়। যা কেবল ব্যথা নয় বিরক্তিকরও। তবে কেন ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page