Thursday , December 3 2020
Breaking News
Home / Health / মৃ’ত্যু ডেকে আনছে ব্রয়লার মুরগি! বলছে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা

মৃ’ত্যু ডেকে আনছে ব্রয়লার মুরগি! বলছে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা

মাংস উৎপাদনের উদ্দেশ্যে লালন-পালন করা হয় ব্রয়লার মুরগীসহ সব ধরণের পশুকেই নিয়মিতভাবে রোজ প্রতিদিনই অ্যান্টি বায়োটিক ওষুধ খাওয়ানো হয়। প্রতি বছর সারা বিশ্বে এই উদ্দেশ্যে প্রায় ৬৩ হাজার ১৫১ টন অ্যান্টি বায়োটিক ওষুধ ব্যবহার হয়। ব্রয়লার মুরগী কমবেশি আমাদের ঘরে ঘরে খাওয়া হয়ে থাকে। যে হারে জন সংখ্যা বাড়ছে সে তুলনায় খাসির মাংসের উৎপাদন বাড়ছে না। তাই আমাদের নির্ভর হতে হয় ব্রয়লার মুরগীর মাংসের উপরে।

কিন্তু ব্রয়লার মুরগী খাওয়ার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবঙ শরীরে বাসা বাঁধে মরণব্যধি ক্যান্সার রোগের। পোল্ট্রি বা ব্রয়লার মুরগ খেলে কোন অ্যান্টি বায়োটিক আমাদের শরীরে আর কাজ করবে না। এমনই তথ্য জানাচ্ছে মেডিকেল সাইন্স। ব্রয়লার মুরগীর বাচ্চা মাত্র ৩০ দিনেই প্রাপ্ত বয়স্ক হয় এবং তা বাজারজাত করা হয়, এমনটাই দেখা যায়!

পুশ করে দেওযা হয় অ্যান্টি বায়োটিক ইনজেকশন পুশ করে দেওয়া ফলে হু হু করে বাড়তে থাকে ব্রয়লার মুরগীর ওজন। চড় চড় করে বাড়তে থাকে মুরগী। অ্যান্টি বায়োটিক খাওয়ালে যে খাদ্য গ্রহণ করে পশুরা তা থেকে সহজেই তাদের দেহে মাংসপিন্ড তাদের দেহে মাংসপেশি উৎপাদিত হয়। আগে ভাগে প্রয়োগ করা অ্যান্টি বায়োটিক এর প্রভাবে সহজে রোগবালাই আক্রান্ত না হওয়ার কারণে এমনটি ঘটে।

আর ধীরে ধীর নষ্ট হয়ে যাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ছোটখাট পেটের রোগ, গ্যাস, অম্বল, সর্দিকাশি, ইনফেকশন এর ক্ষেত্রে অ্যান্টি বায়োটিক আর কাজ করবে না। রোগ সারাতে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিকের সহায্যে নিতে হয় ডাক্তারদের। আমাদর শরীরে যে অ্যান্টিবায়োটিক এর নানা কুপ্রভাব পড়বে, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।

ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা বৃ্দ্ধি পায় ব্রয়লার চিকেন খেলে। একাদিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬৮ শতাংশ ব্রয়লার মুরগীর শরীর এ কোলাই ব্যাকটেরিয়া থাকে যা কোনেভাবে আমাদের শরীরের জন্য ভালো নয়। বাজার হতে ব্রয়লার মুরগির মাংস কিনে কখনই বাকি খাবার বা সবজির সাথে সেটি রাখবেন না। শুধু তাই নায়, যে ছুড়ি দিয়ে মাংস কাটবেন তা দিয়েও ওই সবজি কাটবেন না ভুল করেও।

কেননা কাঁচা মাংসে প্রচুর মাত্রায় ব্যাকটেরিয়া থাকে। আর দোকানে ভোবে একাধিক মুরগিকে একসাথে রাখার কারণে 2/5 টার শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া গুলো প্রবেশ করে না যাওয়ারটা কোন অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। আর এই জীবানু আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তাহলে আমাদের রক্ষা নেই। দেশি মুরগি একাবারে প্রকৃতির নিয়ম মেনে বড় হয়্ দেশি মুরগিতে তেমন কোন ওষুধ ব্যবহার করা হয় না।

গবেষণায় জানা যায়, প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া কমে যাওয়ায় একটি গুরুত্বর হু ম কি র সম্মুখীন হতে চলেছে মানব সভ্যতা। যা হতে বছরে সাত লক্ষ মানুষ মৃতুর করণ হয়ে দাঁড়াবে। শেষ হবে সম্পদ আর দেশ হারাবে জাতীয় উৎপাদনশীলতা। নিজে সচেতন হোন অপরকে সচেতন করুন।

About khan

Check Also

মাত্র তিনটি খাবারেই প’রিষ্কার রাখু’ন ‘লি’ভা’র’

লিভা’র মানবদে’হের অনেকগুলো গু’রুত্ব পূর্ণ কাজে’র স’ঙ্গে জড়িত। হজ’ম শ’ক্তি, মেটাবলিজম, রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি, ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page