Friday , November 27 2020
Breaking News
Home / Exception / ডুবন্ত ঘর থেকে বাচ্চাদের প্রাণ বাঁ’চিয়ে প্রশংসা কুড়ালো ইঁদুর

ডুবন্ত ঘর থেকে বাচ্চাদের প্রাণ বাঁ’চিয়ে প্রশংসা কুড়ালো ইঁদুর

মাতৃস্নেহ বা ভালোবাসার মতো পৃথিবীতে দ্বিতীয় আর কিছু নেই। আর তা মানুষের ক্ষেত্রে হোক অথবা প্রাণীদের ক্ষেত্রে। পৃথিবীতে একমাত্র স্বার্থহীন ভালোবাসা দিতে পারেন যিনি তারই আরেক নাম হল মা। প্রত্যেক মাকেই দেখা যায় নিজেদের জীবন তুচ্ছ করে সন্তানদের রক্ষা করতে, বড় করে তুলতে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যাতে দেখা গিয়েছে মাতৃস্নেহ কতটা গভীর।

যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেটি একটি ইঁদুরের। ভিডিওটি দেখে সোশ্যাল মিডিয়ার নেটিজেনরা ইঁদুরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আর আপনিও দেখার পর প্রশংসা করতে বাধ্য হবেন। ভিডিওটি নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন ফরেস্ট অফিসার পারভিন কাসওয়ান। আর এই হৃদয় ছোঁয়া ভিডিওটি দেখার পরেই ঝড়ের বেগে শেয়ার হতে শুরু করেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কি এমন এই ভিডিও!

আসলে ওই ফরেস্ট অফিসার যে ভিডিওটি শেয়ার করেছেন সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বৃষ্টিতে ভরে গিয়েছে গোটা এলাকা। গোটা এলাকা জলমগ্ন হওয়ার সাথে সাথে এলাকাগুলিতেও জল ঢুকতে শুরু করেছে। আর ওই গর্তগুলির মধ্যেই একটি গর্ত ছিল এক ইঁদুরের বাসা। যেখানে শুধু ইঁদুরটি নয়, তার সঙ্গে রয়েছে তার সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া বাচ্চারাও। আর হু হু করে জল ঢুকতে শুরু করায় মা ইঁদুর গর্ত থেকে অনায়াসেই বেরিয়ে এলেন কিন্তু তার বাচ্চাদের কি হবে!

এ কথা ভেবেই ওই ইঁদুর নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে গর্তের ভেতর থেকে এক এক করে তার বাচ্চাদের উদ্ধার করে অন্যত্র পৌঁছে দেয়। বেশ কয়েকটি বাচ্চাকে ইঁদুরটি গর্ত থেকে মুখে করে বের করে নিয়ে আসে। তবে ঠিক কতগুলি বাচ্চাকে সে রক্ষা করতে পেরেছে তা সম্পর্কে জানা যায়নি। কারণ দুই মিনিট কুড়ি সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে জলে জলে মগ্ন হয়ে পরেছে পুরোটাই। তবে ওই ইঁদুরের শেষ পদক্ষেপ দেখে এটাও বোঝা যায় যে আরও বাচ্চা হয়তো ওই গর্তের মধ্যে রয়েছে।

তবে এই ভিডিওটি কোন এলাকার তা জানা যায়নি। কারণ ফরেস্ট অফিসার পারভিন কাসওয়ান ভিডিওটি শেয়ার করলেও কোন এলাকার তা জানাননি। বরং তিনি ভিডিওটি শেয়ার করার সাথে সাথে লিখেছেন, “হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এই ভিডিওটি তাকে তার বন্ধু পাঠিয়েছিলেন।”

About khan

Check Also

না খেয়ে থাকতে পারি, কিন্তু শা’রীরিক স’ম্পর্ক ছাড়া থাকতে পারি না: সামান্থা

না খেয়ে থাকতে পারলেও শারী’রিক স’ম্পর্ক ছাড়া থাকতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন তামিল ও ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page