Wednesday , November 25 2020
Breaking News
Home / Exception / দাফ’নের ১১ দিন পর জী’বিত উদ্ধার হল এক তরুণী বি’স্তারিত

দাফ’নের ১১ দিন পর জী’বিত উদ্ধার হল এক তরুণী বি’স্তারিত

রাতে যশো’রে সরকারি সিটি কলেজ এলাকা থেকে পলিথিন মোড়ানো অ’জ্ঞাতপরি’চয় এক ত’রুণীর গ’লাকাটা লা’শ উ’দ্ধার করে পু’লিশ। এই লা’শ উ’দ্ধারের খবরে পর দিন ৩০ আ’গস্ট যশোর কোতো’য়ালি থা’নায় ছুটে যান চৌগা’ছার নয়ড়া গ্রা’মের আমজাদ আলী। তিনি ‘অ’জ্ঞাতপরিচয় লা’শটি’ তার মেয়ে সাথী খাতুনের বলে শ’নাক্ত করেন। সেই লা’শ উ’দ্ধার ও দা’ফনের ১১ দিন পর সেই সা’থী খাতুনকে জী’বিত উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ।

পর’কীয়া প্রেমি’কের’ ধর্ম’পিতার বাড়ি সদর উপজেলার জলকর গ্রা’মের আজিজ ল’স্করের বাড়ি থেকে রোববার সকালে পু’লিশ তাকে জী’বিত উ’দ্ধার করেছে। চৌ’গাছার নয়ড়া গ্রামের আমজাদ আলীর মেয়ে সাথী খাতুন ‘ চাঁ’দপাড়া গ্রামেরগোলাম মোস্ত’ফার স্ত্রী। তাদের এহসান নামে ছয় বছরের একটি পু’ত্র স’ন্তান রয়েছে। সাথীর ভাই বিপ্ল’ব হোসেন বলেন, সাথী গত ১৪ জুলাই ‘বাইরে কাজে যা’চ্ছি, বিকেলে ফিরে আসবো’ বলে স্বামীর বাড়ি থেকে বের হন।

এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান ছিল না। সাথী নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা আমজাদ আলী বাদি হয়ে চৌগাছা থা’নায় একটি সাধারণ ডা’য়েরিও করেছিলেন। গত ২৯ আগস্ট রাতে যশোরে সরকারি সিটি কলেজ এলাকা থেকে লা’শ উ’দ্ধারের খবরে পর দিন ৩০ আগস্ট যশোর কোতোয়ালি থা’নায় ছুটে যান চৌগাছার নয়ড়া গ্রামের আমজাদ আলী।

তিনি ‘অ’জ্ঞাতপরিচয় লা’শটি’ তার মেয়ে সাথী খাতুনের বলে শ’নাক্ত করেন। বিপ্লব হোসেন দাবি করেন, তার বাবা লা’শ দেখে হতবিহ্বল হয়ে তাৎক্ষ’ণিক লাশটি তার বোনের বলে শ’নাক্ত করেছিলেন। কিন্তু পরে এ নিয়ে ত’দন্ত হলে তিনি জানতে পারেন তার ভু’ল হয়েছে। উ’দ্ধার হওয়া সাথী খাতুন বলেন, ‘স্বামীর নি’র্যাতন থেকে রেহাই পেতে ১৪ জুলাই স্বা’মীর বাড়ি ছেড়ে যশোরে চলে আসি। শহরের নিউ মার্কেটে বাস থেকে নেমে এক ঘণ্টা বসেছিলাম। ‘এক’পর্যায়ে সদরের ফতেপুর ইউনিয়নের জলকর গ্রামে যাই। যাওয়ার পথে ব্যবহৃত মোবাইল ফো’নটি ভেঙে পানিতে ফেলে দিই। এরপর ওই গ্রামের আ’জিজ লস্ক’রের বাড়িতে আ’শ্রয় নিই।

গত ৭ সেপ্টেম্বর আজিজ লস্কর পত্রি’কার পাতায় আমার মৃ’ত্যুর সংবাদ দেখেন। তারপর থেকে তিনি আমাকে আর আ’শ্রয় দিতে রাজি হননি।’ ‘এরপর ৭ সেপ্টেম্বর বাড়িতে আ’ব্বার মোবাইল নম্বরে (মুখস্থ ছিল) কল করি। পু’লিশকেও বিষয়টা জানাই। পু’লিশ আজ উ’দ্ধার করেছে।’ মা’মলার তদ’ন্ত কর্ম’কর্তা উপপরিদর্শক (এস’আই) আমিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলছেন, ‘মেয়েটির সাথে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ছেলের সম্পর্ক ছিল।

তদন্ত করতে গিয়ে পরিবারের লোকজন জানালো গত ১৬ মার্চ সাথী খাতুন ভারতে গিয়েছিল চিকিৎসার জন্য। এক মাস ১১ দিন পর চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরেন। তবে সাথী একাই গিয়েছিলেন ভারতে।’‘বিষয়টি আমার স’ন্দেহ হয়। এরপর সাথীর পাসপোর্ট বইটি যাচাই করি। এতে দেখা যায় সাথী ১৬-২৪ মার্চ ভারতে ছিলেন। কিন্তু পরিবারের লোকজন বলছেন ১ মাস ১১ দিন। তাহলে বাকি দিন কোথায় ছিলেন?’‘ভারতে থাকাকালীন সাথী ভারতের একজনের মোবাইল নম্বর থেকে কথা বলেছিলেন।

সেই নম্বরও জোগাড় করি। কথা বলে জানতে পারি, সাথী ভারতে প্রবেশ করার এক ঘণ্টা আগে মালেশিয়া প্রবাসী চাঁদপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মান্নু ওপারে (ভারতে) হাজির হন। পরে চিকিৎসা শেষে ২৪ মার্চ সাথী ও মান্নু দেশে আসেন।’ ২৪ মার্চ থেকে এক মাসের বেশি সময় সাথী ও মান্নু যশোর সদর উপজেলার জলকর গ্রামের আজিজ ল’স্করের বাড়িতে অবস্থান করেন।’তাহলে যে লা’শ দা’ফন করা হয়েছে, সেটি কার? এমন প্রশ্নের জবাবে মা’মলার তদ’ন্ত কর্ম’কর্তা এসআই আমিরুজ্জামান বলেন, ‘ধরে নিয়েছিলাম ওই লা’শটি সাথীর। কিন্তু ত’দন্ত করতে গিয়ে আসল রহ’স্য উন্মো’চন হয়েছে। এবার ওই লা’শটি আসলে কার, সেই রহস্য উদ’ঘাটনে কাজ করব।

About khan

Check Also

স্ত্রী’র কিডনিতে জীবন পেলেন স্বামী

বা’ঙ্গালী মে’য়েদের স্বামীর প্রতি ভালোবাসা অসীম। তা আ’বারো প্রমাণ করলো ঝি’নাইদ’হের হরিণাকুন্ডু উপজে’লার প্রত্যন্ত এলা’কার ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page