Friday , December 4 2020
Breaking News
Home / Exception / “বিয়ের ২০ দিন পরও স’হ’বাস করতে না দেয়ায় স্বা’মীর কা’ন্ড”

“বিয়ের ২০ দিন পরও স’হ’বাস করতে না দেয়ায় স্বা’মীর কা’ন্ড”

২০ দিন হয়েছে শামীম মিমের বি’য়ে। কিন্তু এ ক’দিনে শামীম যেতে পারেনি মিমের কাছে।নানাভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় শামীম। একবার কাছে যেতে পারলেই মিম ভু’লেযাবে তার প্রে’মিককে।

আর শামীম হয়ে উঠবে তার স্বা’মী। দু’জ’নে সুখের সংসার গড়বে।বি’য়ের প’র ২০ দিন চেষ্টা করেও যখন মিমের কাছাকাছি যেতে পারেনি তখনই সি’দ্ধান্ত নেয় মিমকে

হ`ত্যার।গ`লায় ওড়`না পেঁ`চিয়ে শ্বা`সরো’ধ করে মিমকে হ`ত্যা করে শামীম।গ্রে`প্তারের প’রপু`লিশের কাছে ও আ’দালতে হ`ত্যাকা`ণ্ডের লো`মহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে শামীম।গত রোববার ১৬৪ ধা’রা’য় স্বী’কারোক্তিমূলক জ’বানব’ন্দিতে হ`ত্যার দায় স্বী’কার করেছে শামীম।

বর্ণনা দিতে গিয়ে শামীম জানিয়েছে, বি’য়ের প’র প্রা’য় ২০ দিন কে’টে গেলেও একবারও মিমের স’ঙ্গে স’ম্প’র্ক স্থাপন করতে পারেনি সে।যতবারই চেষ্টা করেছে ততবারই নানা

বাহা’না ও বাধা দিয়েছে মিম। ৯ই নভেম্বর দুপুরে গোসলে যেতে শামীমকে তাড়া দেয়মিম। গোসল শেষে মিমকে খুঁ’জে পায়নি সে।বাসা ও আশপাশে কোথাও নেই।ফোন

বন্ধ।প’রবর্তীতে জানতে পারে প্রে’মিক শান্ত’র স’ঙ্গে রয়েছে মিম।ত’দন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জা’না গেছে, ডেম’রার স্থানীয় একটি ক’লেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছা’ত্রী মিমের স’ঙ্গে প্রে’মের স’ম্প’র্ক ছিলো একই এ’লাকার শান্তর।

একই এ’লাকার বা’সিন্দা হলেও প’রিচয় ও স’ম্প’র্কেরসূত্রপাত হয় সামাজিক যো’গাযোগ মাধ্যমে ফেস’বুকের মাধ্যমে। চুটিয়ে প্রে’ম করছিল মিম ও শান্ত।বি’ষয়টি মিমের প’রিবার ও স্বজ’নদের নজরে এলে নানাভাবে বাধা দেয়া হয়।তবুও এই প্রে’ম থেকে ফেরানো স’ম্ভব

হয়নি মিমকে। মিমের স’মব’য়সী শান্ত একটিকস’মেটিকস দোকানের কর্মচারী। এই প্রে’ম থেকে ফেরা’তেই বি’য়ের আয়োজ’ন করা হয় নারা’য়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের চাঁনপাড়ার বা’সিন্দা মোটরমেকানিক শামীমের স’ঙ্গে। ২৪শেঅক্টোবর বি’য়ে হয় তাদের।

বি’য়ের প’র স্বা’মীর স’ঙ্গে শা`রীরিক স’ম্প’র্ক থেকে বি’রত ছিল মিম।র মধ্যেই স্বা’মীর বা’ড়ি ছে’ড়ে পা’লিয়ে ডেম’রার স্টাফ কোয়ার্টার মোড়ে গিয়ে ফোনে ডেকে আনে শান্তকে।পু’লিশের জি’জ্ঞাসাবাদে শান্ত জা’নায়, তাকে ডেকে নিয়ে মিম ব’লেছিল, ‘তুমি

যদিআমাকে না নিয়ে যাও, আমি এই মুহূর্তে আ`ত্মহ`ত্যা করব।’ তারপ’র ডেম’রা’য় ব’ন্ধুর বোনের বাসায় মিমকে রে’খেছিল শান্ত।ওই বাসা থেকেই বা’বা হবি কাজীকে ফোনে মিমজানিয়েছিল, সে শান্তর স’ঙ্গে রয়েছে।কো’নোভাবেই শান্ত ছা’ড়া অন্য কারও সংসার করবে না সে। বা’বা হবি কাজী মে’য়েকে ফিরে যেতে অনুনয় করেন।

একপ’র্যায়ে ব’লেন,ফিরে এলে শামীমের স’ঙ্গে ডিভোর্স করিয়ে শান্তর স’ঙ্গেই বি’য়ে দেয়া হবে।এই প্র’তিশ্রুতিতেই ১১ই নভেম্বর ডেম’রার বাঁশেরপুলের তাজমহল রোডে বা’বার

বাসায় ফিরে যায় মিম।এদিকেশামীম ও মিমের প’রিবারের মধ্যে এ বি’ষয়ে আলোচনা হয়। এক সপ্তাহ প’র্যবেক্ষণ করে সি’দ্ধান্ত নেয়া হবে। এই এক সপ্তাহ শামীমের স’ঙ্গে সংসার

করতে মিমকে বুঝানোর চেষ্টা করবে তার মা-বা’বা।প’রদিনই ঘ’টে ঘ’টনা।মিমের স’ঙ্গে ক’থা বলার জ’ন্য ডেম’রার ওই বাসায় যায় শামীম।তখন দুপুর ১২টা।

দোতলা বাসার একটি কক্ষে মিমের স’ঙ্গে ক’থা বলছিল শামীম। বি’য়ের প’র এই রুমে থেকেছে তারা কয়েক রা’ত।গ্রে`প্তারের প’র জি’জ্ঞাসাবাদে শামীম জানিয়েছে, দীর্ঘ স’ময়

মিমকে বুঝানোর চেষ্টাকরেও ব্যর্থ হয় সে।তার ধা’রণা ছিলো, কো’নোভাবে শা`রীরিক স’ম্প’র্ক করতে পারলেই শান্তকে ভু’লে তার প্র’তি আকৃষ্ট হবে মিম। তাই জো’র করতে থাকে। অ`র্ধ বি`ব`স্ত্র করেফেললেও মিমের বাধা’র কাছে পেরে ওঠেনি শামীম।একপ’র্যায়ে মিম খাট থেকে উঠে রুম থেকে বের হতে চেষ্টা করে। শামীমের বাধায় তা পারে না।

প’রে খাটে’র পাশের একটি মোড়ায় বসে। শামীম তখন মিমের হাত-পায়ে ধ’রে শান্তকে ভু’লে যেতে অনুনয় করে।মিম একক’থায় জানিয়ে দেয়, শান্তকে ভু’লা স’ম্ভব না, একইভাবে শামীমের স’ঙ্গে সংসার করাও স’ম্ভব না। এ স’ময় শামীম বলতে থাকে,আমি না

পেলে তোকে আর কেউ পাবে না।কেউ না।তারপ’র মিমের ওড়না দিয়েই তার গ`লা চে`পে ধ’রে। বাঁ’চার আ”প্রা’ণ চেষ্টাকরে মিম।শামীম শক্ত করে ওড়নায় টান দেয়। মিমের

নাক, কান দিয়ে র`ক্ত বের হয়।চোখ দু’টি বড় বড় হয়ে যায়।নি`থর হয়ে যায় তার শ’রীর। মৃ`ত্যু নিশ্চিত করে দ্রু’ত শ্ব’শুরের বাসা থেকে বের হয়ে যায় শামীম।প’রে ঘ’রে ঢু’কেই মিমের র`ক্তা`ক্ত নি`থর দে`হ দেখতে পান তার মা।খবর পেয়ে লা“শ উ’দ্ধা’র করে

ম’য়নাত’দন্তের জ’ন্য ম`র্গে পাঠায় পু`লিশ। মিমের পিতা হবি কাজী বা’দী হয়ে ডেম’রা থা’নায় হ`ত্যা মা`মলা করেন।প’রবর্তীতে ডেম’রা থা’নার প’রিদর্শক (ত’দন্ত) রফিকুল ইস’লামের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযু’ক্তি ব্যবহার করে শামীমের অবস্থান শ`নাক্ত করা হয়।

১৫ই নভেম্বর রা’তে মুগদা এ’লাকার একটি বাসা থেকে গ্রে`প্তার করা হয় শামীমকে। গ্রে`প্তারের প’র ১৭ই নভেম্বর আ’দালতে ১৬৪ ধা’রা’য় স্বী’কা’রোক্তি দেন শামীম। ক্ষুদে ব্যবসায়ী হবি কাজীর তিন মে’য়ে ও এক ছে’লের মধ্যে মিম ছিল স’বার বড়।রসুনকে গরিবের পেনিসিলিন বলা হয়ে থাকে।

About khan

Check Also

আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে

জেনে নিন, আলট্রাসনগ্রাম ছাড়াই যেভাবে জানবেন গর্ভের শিশু ছেলে নাকি মেয়ে! বিস্তারিত- শিশুটি ছেলে না ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page