Tuesday , January 19 2021
Breaking News
Home / Education / বিসিএস পরীক্ষার প্রাথমিক ধারণা

বিসিএস পরীক্ষার প্রাথমিক ধারণা

শিক্ষা জীবন শেষ করে সব থেকে সম্মানিত ও আকর্ষণীয় কর্মজীবনের নাম বিসিএস। বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বা গ্র্যাজুয়েট যেকোন শিক্ষার্থী নিজ ক্যারিয়ার তৈরি করতে চান একজন বিসিএস ক্যাডার হিসেবে।

“বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস” পরীক্ষাকে সংক্ষেপে ডাকা হয় বিসিএস পরীক্ষা বলে। এই পরীক্ষাটি হলো একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা; যা ২৬ টি পদে (পুলিশ, ট্যাক্স , পররাষ্ট্র, কাস্টমস , অডিট , শিক্ষা ইত্যাদি ) বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্য থেকে জনবল নিয়োগের জন্য পরিচালিত হয়। এই পরীক্ষা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কর্তৃক গৃহীত হয়।

প্রক্রিয়া:
“বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস” পরীক্ষার প্রক্রিয়া ৩ টি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়-

০১. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা:

এটি বিসিএস পরীক্ষার প্রাথমিক যোগ্যতা বাছাই পর্ব। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এমসিকিউ ধরনের হয়ে থাকে।

০২. লিখিত পরীক্ষা:

এটি বিসিএস পরীক্ষার প্রধান অংশ। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা কেবল লিখিত পরীক্ষা অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকে।

০৩. মৌখিক পরীক্ষা:

এটি বিসিএস পরীক্ষার চুড়ান্ত ধাপ। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকে ।

যোগ্যতা:
০১. বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে

০২. নির্দিষ্ট বয়েসসীমা রয়েছে

মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্য, প্রতিবন্ধী প্রার্থী এবং বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমা ২১ হতে ৩২ বছর। তবে অন্য সকল ক্যাডারে প্রার্থীর জন্য বয়সসীমা ২১ হতে ৩০ বছর। আবার, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে জন্য শুধু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী প্রার্থীর বেলায় বয়স ২১ হতে ৩২ বছর।

০৩. ৪ বছরের অনার্স (যে কোন বিষয়ে) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে

তবে কোনো প্রার্থীর শিক্ষা জীবনে একাধিক ৩য় বিভাগ বা সমমানের জিপিএ থাকলে তিনি যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

০৪. ৩ বছরের অনার্স ও ১ বছরের মাস্টার্স ডিগ্রি দিয়েও প্রার্থীরাও পরীক্ষা দিতে পারবেন

০৪. কোন প্রার্থীরা বিদেশী ডিগ্রি থাকলে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে তাদের ডিগ্রি বাংলাদেশের চার বছরের ডিগ্রির সমমান- এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি:
পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) প্রতিবছর বিভিন্ন ক্যাডারে শুণ্য পদের তালিকা প্রেরণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে শুণ্য পদের তালিকা পাওয়ার পর পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) বিভিন্ন ক্যাডারের শুণ্য পদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, ফি, পরীক্ষার তারিখ (সম্ভাব্য), প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ইত্যাদি জানিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তাদের ওয়েবসাইট ও দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশ করে থাকে। সাধারণত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় ১ মাস আবেদন করার সুযোগ থাকে।

About khan

Check Also

প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষাঃ পড়াই সব নয়, সিলেবাস বুঝে প্রস্তুতি নিন

আপনাকে প্রতিটি বিষয়ের জন্যই আলাদাভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। তাই প্রস্তুতি নিতে হবে ভালভাবে। কোন অবহেলা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page