Saturday , May 8 2021
Breaking News
Home / Exception / ৫ ভাইয়ের স’ঙ্গে তরুণীর বিয়ে, বাসর রাতে, গা শি’উরে ওঠার মত

৫ ভাইয়ের স’ঙ্গে তরুণীর বিয়ে, বাসর রাতে, গা শি’উরে ওঠার মত

একজ’নের স্ত্রী’ হয়েই শ্ব’শুর বা’ড়ি গিয়েছিলেন ওই তরুণী। কিন্তু, শ্বাশুড়ির ইচ্ছেতেই স্বা’মীর চারভাইকে বি’য়ে করেছিলেন তিনি। ছে’লে বা’ড়িতে নতুন বৌকে নিয়ে গেলে অ’ন্ধ মা আদেশ করেন, ‘যা এনেছ বা’বা, পাঁচভাই মি’লে ভাগ করে নাও।’ ছে’লে মায়ের ক’থায় অনেক ক’ষ্ট পান।কিন্তু, মায়ের আদেশ ফেলতে পারেননি।

তাই নিজের স্ত্রী’কে স’হোদর চারভাইয়ের স’ঙ্গেও বি’য়ে দেন তিনি। এরপ’র পাঁচভাই এক না’রীর স’ঙ্গে সংসার করেন।পুরু’ষদের এ’কাধিক স্ত্রী’ থাকার কাহিনী পুরাণ, ইতিহাস, গ’ল্পে শোনা যায়। কিন্তু মহাভা’রতের দ্রৌপ’দীই একমাত্র না’রী চ’রিত্র যার একের বেশি বি’য়ে হয়েছিলো। অর্জুনের স্ত্রী’ হয়েই শ্ব’শুর বা’ড়িতে যান

দ্রৌপ’দী।অর্জুনের প্র’তিই দ্রৌপ’দীর একমাত্র অ’নুভূতি ছিলো। মন থেকে স্বা’মী হিসেবে তাকেই শুধু মেনেছিলেন তিনি।কিন্তু বাকি যুধিষ্ঠির, ভীম, নকুল ও স’হদেবের স’ঙ্গে তার স’মীকরণ কেমন ছিলো তা অজা’না। শোনা যায়, যে মনের আ’দান প্রদান না হলেও প্রত্যেকের স’ঙ্গে একটি করে স’ন্তা’নের জ’ন্ম দিয়েছিলেন দ্রৌপ’দী।

অর্জুনও চাননি তার স্ত্রী’কে ভাইদের স’ঙ্গে ভাগ করে নিতে। কিন্তু, মায়ের আদেশ ফেলতে পারেননি অর্জুন। তাই আবেগকে দূরে ঠেলে নিজের স্ত্রী’কে ভাগ করে নিয়েছিলেন তিনি। মনে মনে অর্জুন ভাবতেন দ্রৌপ’দী শুধুই তার।কিন্তু আদেশ রাখতে গিয়ে স্ত্রী’র উপ’র থেকে অধিকারবোধ বিসর্জ’ন দিয়েছিলেন। দ্রৌপ’দীর মনে শুধু

একজ’ন পুরু’ষেরই নাম ছিলো। তা হলো অর্জুন। তাই অর্জুন শুভদ্রাকে বি’য়ে করলে ভে’ঙে পড়েছিলেন দ্রৌপ’দী।যুধিষ্ঠির যেহেতু জ্যেষ্ঠ সেহেতু তিনি স্থির করেন, দ্রৌপ’দীর সান্নিধ্য তিনিই স’বার আ’গে উপভোগ করবেন। অন্য ভাইয়েরা তার এ সি’দ্ধান্ত মেনে নেন।কেমন ছিলো পাঁচ স্বা’মীর স’ঙ্গে তার গৃ’হ’জীবন? মহাভা’রত

ঘাঁটলে এই বি’ষয়ে পাওয়া যায় কয়েকটি চ’মকে ওঠার মতো তথ্য।১. পত্নী হিসেবে দ্রৌপ’দী ছিলেন নিষ্ঠাবতী। প্রত্যেক স্বা’মীকেই তৃপ্ত করার ক্ষ’মতা ছিলো তার। একজ’ন স্বা’মী টানা এক বছর দ্রৌপ’দীর ঘ’রে কা’টানোর প’রে দ্রৌপ’দীর সান্নিধ্য লাভের সু’যোগ মি’লত দ্বি’তীয় স্বা’মীর। এই নিয়’মে প’র্যায়ক্রমে চলত তাদের

গৃ’হ’জীবন। ২. এক স্বা’মীর স’ঙ্গে এক বছর কা’টানোর প’রে দ্বি’তীয় স্বা’মীর কাছে যাওয়ার আ’গে অ’গ্নিতে প্র’বেশ করে নিজেকে শারী’রিকভাবে শুদ্ধ ও পুনরা’য় কু’মা’রী করে নিতেন দ্রৌপ’দী। প্রত্যেক স্বা’মীর ঔরসে পাঁচটি করে পুত্র স’ন্তা’নের জ’ননী হয়েছিলেন দ্রৌপ’দী।৩. বিবাহের আ’গেই যুধিষ্ঠির তার ভাইদের ডেকে

শোনান সুন্দ-উপসুন্দ নামে দুই রাক্ষস ভ্রা’তার গ’ল্প। জা’নান, কিভাবে এক সুন্দরী না’রীর প্রে’মে পড়ে তারা প’রস্প’রের ধ্বংসের কারণ হয়েছিলো।তিনি বোঝাতে চান, দ্রৌপ’দী যেন তাদের ভাতৃবিবাদের কারণ না হন।সেই বি’ষয়টি মা’থায় রে’খেই, তিনি এই নিয়’ম চালু করেন যে, এক এক ভাই একটা নির্দিষ্ট স’ময়ের জ’ন্য

দ্রৌপ’দীর স’ঙ্গে যাপন করবেন। তারপ’র দ্রৌপ’দীর সান্নিধ্য পাবেন দ্বি’তীয় ভাই। কেউ এই নিয়’ম অমা’ন্য করলে মি’লবে শা’স্তি। একবার ক্ষাত্রধ’র্ম পালনের দা’য়ে অর্জুন এই নিয়’মের ব্যত্যয় ঘ’টান। শা’স্তিস্বরূপ তাকে ১২ বছর নির্বাসনে কা’টাতে হয়।

About khan

Check Also

শেষ জীবনের দু’ধ পানের হৃদয়বিদারক দৃশ্য

মা’ ছোট্ট এই শব্দটার মধ্যে লুকিয়ে আছে অকৃপণ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার অসীম ও আশ্চর্য রকমের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *