Sunday , October 2 2022
Breaking News
Home / Exclusive News / ১৫ রাতের ব্যবধানে সম্রাটের রাত্রিযাপনের স’ঙ্গী ছিলেন ১২১ জন নারী

১৫ রাতের ব্যবধানে সম্রাটের রাত্রিযাপনের স’ঙ্গী ছিলেন ১২১ জন নারী

ভালোবাসার গণিতের কথা শুনেছেন! গণিতের শুরুটা হয়েছিল মিসর মেসোপটেমিয়া এবং গ্রীসে। কিন্তু এসব সভ্যতার পতনের সঙ্গে সঙ্গে গণিতের পরের ধাপের অগ্রযাত্রা ঘটে পশ্চিমের দেশগুলোতে। এদিকে প্রায় নিঃশব্দেই প্রাচ্যের দেশগুলোতেও গণিত পৌঁছে যায় নতুন উচ্চতায়। সে সময় প্রাচীন চীনে হাজার মাইল দীর্ঘ প্রাচীর নির্মাণ হয়েছে গণিতের হিসার মেনে আবার সম্রাটের হারেম ব্যবস্থায় গণিতের ব্যবহার ছিল।

এর লক্ষ্য ছিল মর্যাদাশীল নারীর গর্ভ থেকে যেন সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকার আসে। সম্রাটের শয্যার রুটিন ঠিক করা হতো গণিত মেনে। সাম্রাজ্যের বংশ পরম্পরাও সৃষ্টি হত গাণিতিক হিসেব নিকেশ অনুযায়ী। চীনা সাম্রাজ্য পরিচালনার ক্ষেত্রেও গণিত এক বিরাট প্রভাব রেখেছিল। সম্রাটের উপদেষ্টারা নতুন এক পদ্ধতি বের করেছিলেন, যার মাধ্যমে নির্ধারিত হতো হারেমের বিপুল সংখ্যক নারীর সঙ্গে সম্রাটের রাত্রিযাপনের

পালাক্রম। এই পদ্ধতির মূল ব্যপারটি ছিল গাণিতিক হিসাব যাকে বলা হতে ‘জ্যামিতিক ক্রমবৃদ্ধি’। কিংবদন্তী আছে, ১৫ রাতের ব্যবধানে সম্রাটকে ১২১ জন নারীর সঙ্গে রাত্রিযাপন করতে হবে। তার ক্রম নির্ধারিত হত এভাবে: * সম্রাজ্ঞী * তিনজন ঊর্ধ্বতন সঙ্গিনী * নয়জন পত্নী * ২৭জন উপপত্নী এবং * ৮১জন দাসী প্রতিটি দলে নারীর সংখ্যা তার আগের স্তরের নারীদের তিন গুণ। এর ফলে গাণিতিক হিসাব করে সহজেই একটি তালিকা করে ফেলা যেত যে ১৫ রাতের মধ্যে সম্রাট হারেমের প্রতিজন নারীর সঙ্গে রাত্রিযাপন করছেন। প্রতিটি দলে নারীর সংখ্যা তার আগের স্তরের নারীদের তিন গুণ প্রতিটি দলে নারীর সংখ্যা তার আগের স্তরের নারীদের তিন গুণ প্রথম রাত্রি নির্ধারিত ছিল সম্রাজ্ঞীর জন্য।

এরপর পালাক্রমে আসতেন ঊর্ধ্বতন সঙ্গিনী এবং পত্নীরা। উপ পত্নীদের তালিকা অনুযায়ী পছন্দ করা হতো, একেক রাতে নয়জন করে। সর্বশেষ নয় রাতে পালা করে ৮১ জন দাসীর সঙ্গে রাত্রিযাপন করতেন সম্রাট। তালিকায় এটা অবশ্যই নিশ্চিত করা হত যে, মর্যাদায় উচ্চতর অবস্থানে থাকা নারীদের সঙ্গে সম্রাট পূর্ণ-চাঁদের কাছাকাছি সময়ে রাত কাটাবেন।

এর মাধ্যমে সম্রাটের উত্তরাধিকার অর্থাৎ তার সন্তান-সন্ততি যেন মর্যাদাশীল নারীর গর্ভে জন্ম নেয় সেটি নিশ্চিত করা হতো। পশ্চিমের দেশগুলোর এক হাজার বছর আগেই প্রাচীন চীনে দশমিকের ব্যবহার ছিল এবং সমীকরণের সমাধানে তা ব্যবহৃত হত। পশ্চিমের দেশগুলোতে যা উনিশ শতকের শুরুর আগ পর্যন্ত দেখা যায়নি। কিংবদন্তী জনশ্রুতি আছে, চীনের প্রথম সম্রাটের একজন দেবতা ছিলেন, খ্রিষ্টপূর্ব ২৮০০ সালে যিনি গণিত তৈরি করেছিলেন।

জকের চীনেও সংখ্যা তত্ত্বের এই গুরুত্বে বিশ্বাস করেন চীনারা। বিজোড় সংখ্যাকে পুরুষ আর জোড় সংখ্যাকে নারী হিসেবে ভাবা হয়। চার সংখ্যাটিকে এড়িয়ে যাওয়া হবে যেকোনো মূল্যে। আট সংখ্যাটি সৌভাগ্য নিয়ে আসে সবার জন্য। প্রাচীন চীনারা সংখ্যার ছক দিয়ে বিভিন্ন ধরণের খেলা যেমন সুডোকু তৈরি করেছিল।

About admin

Check Also

ইংলিশে পোস্টমর্টেম কিন্তু বাংলাতে ময়নাত’দন্ত বলা হয় কেন? প্রায় ৮০% লোকেরাই জানেনা! আপনি জানেন কি?

ইংরেজীতে যাকে বলে ‘পোস্টমর্টেম’, বাংলায় তাকেই বলা হয় ‘ময়নাতদন্ত’। সাধারণত অস্বাভাবিকভাবে কারোর মৃ’ত্যু হলে বা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published.