Friday , December 3 2021
Breaking News

ম্যা’সাজ পা’র্লারে যু’বতীর কা’ন্ড (ভি’ডিওসহ)

ম্যাসাজ পার্লার নিয়ে মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই। ‘রিল্যাক্সিং বডি ম্যাসাজ’ সংক্রা’ন্ত বিজ্ঞাপন খবরের কাগজে বা ল্যামপোস্টের গায়ে দেখলেই মনে প্রশ্ন জেগে ওঠে, ঠিক কী হয় এই সমস্ত ম্যাসাজ পার্লারের ভিতরে? সেই কৌতূহলকে কিছুটা নিরসন করার জন্যই সম্প্রতি

একটি ভিডিও প্রকাশ হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।কী রয়েছে এই ভিডিও-এ? মুম্বইয়ের একটি ম্যাসাজ পার্লারে বডি ম্যাসাজ নিতে গিয়েছিলেন এক যুবক। সারা স’প্তাহের কাজকর্মের পরে স’প্তাহান্তে রিল্যাক্সেশনের উদ্দেশ্যেই ম্যাসাজ পার্লারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি।

পার্লারে পৌঁছনোর পরে একটি নির্দিষ্ট ঘরে তাঁকে যেতে বলা হয়। সেই ঘরে গিয়ে তিনি দেখেন, এক তরুণী তাঁকে ম্যাসাজ করার জন্য অ’পেক্ষা করছেন। কমলা শার্ট এবং হট প্যান্ট পরিহিত সুন্দরী তরুণীকে দেখে প্রথমে কিছুটা ঘাবড়েই যান যুবক।

তিনি ভাবতেই পারেননি এক জন পুরুষকে ম্যাসাজ করার জন্য উপস্থিত থাকবেন এক তরুণী।প্রাথমিক বিহ্বলতা কাটিয়ে যুবক ম্যাসাজের জন্য নির্দিষ্ট বিছানায় বসেন। তরুণী তাঁকে বলেন, ‘স্যার, আপনি আপনার টি-শার্টটা খুলে নিন।’ যুবক যখন শার্ট খুলছেন, তখনই তিনি লক্ষ্য

করেন, তরুণীও নিজের শার্টটা খুলে ফেললেন। কী কাণ্ড! ম্যাসেজ করার জন্য ম্যাসিওরকে পোশাক খুলতে হবে কেন! সাসপেন্স বাড়িয়ে তরুণী এ বার যুবককে বলেন, ‘স্যার, আপনি শুয়ে পড়ুন।’ যুবক তা-ই করেন। তাঁর শরীরের নিম্নাংশে তোয়ালে চাপা দিয়ে কোমল হাতে

তরুণী ম্যাসাজ শুরু করেন। কিন্তু তখনও যুবকের ধারণা ছিল না, কী ‘হতে চলেছে তাঁর স’ঙ্গে।ম্যাসাজ যখন শেষের মুখে তরুণী তখন কোমল স্বরে যুবককে হঠাৎই বলেন, ‘স্যার, আপনি কি হ্যাপি এন্ডিং চান?’ প্রশ্নটার অ’শালীন ই’ঙ্গিত বুঝতে অসুবিধা হয়নি যুবকের।

তিনি তাড়াতাড়ি বলেন, ‘না না, আমি নরম্যাল ম্যাসাজ চাই।’ তরুণী কিন্তু ‘হ্যাপি এন্ডিং’-এর জন্য জোরাজুরি করতে থাকেন। এমন সময়ে আচমকা ঘরের দরজা খুলে ঢুকে পড়েন এক বিশালদে’হী পু’লিশ অফিসার। স’ঙ্গে স’ঙ্গে তরুণীও ভোল বদলে ফেলেন।

তিনি চি’ৎকার করে বলে ওঠেন, ‘আমাকে ছেড়ে দিন, আমাকে ছেড়ে দিন।’ যেন যুবক তাঁর স’ঙ্গে কোনও অ’শালীন কাজ করছেন জোর করে। পু’লিশ অফিসারকে দেখে কাঁদতে কাঁদতে যুবতী বলেন,‘স্যার, এই লোকটা আমা’র স’ঙ্গে জোর করে অ’শালীন কাজ করার চেষ্টা করছিল।’

অফিসার স’ঙ্গে স’ঙ্গে যুবকের হাত ধরে বলেন, ‘মেয়েদের স’ঙ্গে অসভ্যতা! চল থানায়।’ যুবক অফিসারের হাতে-পায়ে ধরে বোঝানোর চেষ্টা করেন, মেয়েটি মি’থ্য‌ে বলছে, তিনি কিছুই করেননি।

কিন্তু অফিসার নাছোড়। তাঁর স্পষ্ট কথা, হয় থা’নায় যেতে হবে, নয়তো নিদেন পক্ষে যুবকের বাবার ফোন নাম্বার চাই। তাঁর বাবাকে ফোন করে তিনি জানাবেন ছেলের কীর্তি।

এই পর্যন্ত পড়ে অনেকেই শিউরে উঠেছেন নির্ঘা’ত। আসলে কিন্তু গোটা ব্যাপারটাই ছিল প্র্যাঙ্ক, অর্থাৎ নিছক মজার ছলে। যে যুবককে এই প্র্যা’ঙ্কের শিকার বানানো হয়েছিল, গোটা মজাটির পরিকল্পনাকারীরা ছিলেন তাঁরই বন্ধু।

তাঁরাই ঠাট্টার ছলে বন্ধুর মাথায় টুপি পরালেন। বোকা বানালেন তাঁকে। ভিডিও-র শেষে হাসতে হাসতে তাঁরা ঘরে ঢুকে পড়তেই গোটা ব্যাপারটা স্পষ্ট হয় যুবকের কাছে।

এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ফেসবুক, বা টুইটার ব্যবহারকারীরা বলছেন, এমনটা তো সত্যিই ঘটে যেতে পারে কোনও ম্যাসাজ পার্লারে। এবং হয়েও তো থাকে এ রকম ঘটনা।

নিছক রিল্যাক্সেশনের জন্য যাঁরা পার্লারে গিয়েছেন, তাঁদেরও অনেক সময়ে নানা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে ব্ল্যা’কমেল করা হয়। কাজেই এই প্র্যাঙ্ক ভিডিও তো এক অর্থে সামাজিক সচেতনতা বৃ’দ্ধিরও কাজ করছে। সেই কথা মাথায় রেখে অজস্র শেয়ার হয়ে চলেছে এই ভিডিও।

About khan

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *