Tuesday , April 20 2021
Breaking News
Home / Exception / মৃ’ত মেয়ের সঙ্গে মায়ের সাক্ষাৎ করালো প্রযুক্তি, বিশ্বজুড়ে হইচই

মৃ’ত মেয়ের সঙ্গে মায়ের সাক্ষাৎ করালো প্রযুক্তি, বিশ্বজুড়ে হইচই

ছয় বছর আগে মা’রা যাওয়া এক মে’য়েকে ভার্চুয়াল বাস্তবাতায় মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করালেন দক্ষিণ কোরিয়ার তথ্যপ্রযুক্তিবিদরা। নিচে ভিডিওটি দেখু’নমৃ’ত মে’য়ের সঙ্গে ওই মায়ের কথোপথোন ও আদর করার হৃদয়বিদারক ভি`ডিও প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই শুরু হয়েছে।

সৌদিআরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে লিউকোমিয়ায় মা’রা যান ছোট্ট শি’শু না-ইয়ন। সেই শি’শুটিকে ভার্চুয়াল বাস্তবাতায় মায়ের সামনে আনা হয়।মা ঝাং জি সাং মে’য়ের সঙ্গে কথা বলেন। মে’য়েকে ছুঁয়ে আদর করেন। এসময় মৃ’ত মে’য়েকে পেয়ে অঝোরে কাঁদতে থাকেন ঝাং জি।তবে ঝাং জি কাঁদলেও বাস্তবে আসেনি তার মে’য়ে।

ঝাং জি এর হাতে স্প’র্শকাতর গ্লাভস ও চোখে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) বক্স লাগানো হয়। এর মাধ্যমে তিনি ভার্চুয়ালি মে’য়েকে দেখতে পান, কথা বলেন এবং সেন্সরের মাধ্যমে মে’য়েকে ছুঁয়ে আদর করেন।প্রযুক্তিবিদরা প্রথমে না-ইয়ান এর ছবি নিয়ে তার মতো এনিমেশন তৈরি করেন। পরে সেই এনিমেশনকে সংযুক্ত করা হয় ভিআর বক্স ও সেন্সর হ্যান্ড গ্লাভসে।

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি টেলিভিশন এই ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ভি`ডিও প্রচার করে। ভি`ডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি গ্রিন স্ক্রিন কক্ষে মা ঝাং জি ভিআর বক্স ও গ্লাভস পরে মে’য়েকে ডাকছেন। এসময় তিনি ভার্চুয়ালি দেখতে পান, মায়ের ডাক শুনে তার মৃ’ত মে’য়ে কয়েকটি পাথরের টুকরোর পাশ থেকে দৌড়ে তার দিকে ছুটে আসে।এসময় মে’য়েটি বলে, ‘মা, তুমি কোথায় ছিল?

তোমাকে আমা’র খুব মনে পড়ে। আমাকে তোমা’র মনে পড়ে?’উত্তর দেয়ার আগেই বাস্তবে কেঁদে ফেলেন মা। কাঁদতে কাঁদতে বলেন, তোমাকে আমা’র খুব মনে পড়ে। এসময় মা তার মে’য়েকে ছুঁয়ে আদর করেন।মা-মে’য়ে এমন ভার্চুয়াল মিলনের সময় হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। উপস্থিত অন্যান্য প্রযুক্তিবিদরাও কাঁদতে থাকেন।

এদিকে এ ঘটনাকে মানুষের আবেগ আর বিশ্বা’স নিয়ে প্রতারণা হিসেবে দেখছেন সমালোচকরা। সামাজিকমাধ্যমে ভি`ডিওটি প্রকাশের পর দক্ষিণ কোরিয়ার বহু মানুষ এ ধরণের রিয়েলিটির বিরোধিতা করছেন।

About khan

Check Also

শি’খে নিন পাওনা টাকা আ’দায়ের দারুণ কৌ’শল !

প্রয়োজনে কম-বেশি সবাইকে টাকা ধা’র নিতে হয়। আবার অনেক সময় নিজেকেও অন্যজনকে থাকা ধার দিতে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *