Sunday , March 7 2021
Breaking News
Home / News / বিয়ের অনুষ্ঠানের টাকা অসহায়দের দিলেন নবদম্পতি

বিয়ের অনুষ্ঠানের টাকা অসহায়দের দিলেন নবদম্পতি

করোনার কারণে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বাদ দিয়ে সেই টাকা অসহায়দের জন্য অনুদান দিলেন কক্সবাজারের উখিয়ার নবদম্পতি।

তারা হলেন উখিয়া কুতুপালং এলাকার বখতিয়ার উদ্দীন মেম্বারের ছেলে হেলাল উদ্দীন ও রাজাপালং ইউনিয়নের ডিগলিয়াপালং এলাকার আবদুর রহিমের মেয়ে উম্মে সালমা।

শুক্রবার তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছিল। করোনার কারণে তা বাতিল করে অসহায়দের জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন এই নবদম্পতি। দুটি ফান্ডে এই টাকা দিয়েছেন। বিষয়টি হেলাল উদ্দিন নিজেই যুগান্তরকে জানান।

জানা গেছে, উখিয়া কুতুপালং এলাকার বখতিয়ার উদ্দীন মেম্বারের ছেলে হেলাল উদ্দীনের তরুণ সমাজসেবক হিসেবে এলাকায় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হেলাল উদ্দীন ও উম্মে সালমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছিল শুক্রবার।

উখিয়া পালং গার্ডেনে এই আয়োজন হওয়ার কথা ছিল। দাওয়াত ছিল ১ হাজার ৫০০ অতিথির। এর মধ্যে করোনার কারণে গণজমায়েত নিষিদ্ধ এবং লকডাউন হওয়ায় হেলাল উদ্দীন তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বাতিল করেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অর্থ অসহায় মানুষদের জন্য দেন হেলাল উদ্দীন দম্পতি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে যুবক হেলাল উদ্দীন বলেন, দীর্ঘদিন পূর্বে পরিকল্পনা মোতাবেক বিয়ের সব ধরনের আয়োজন ছিল ২৭ মার্চ। কিন্তু করোনার কারণে শুধু আকদ সম্পন্ন করা হয়েছে। সেখানে দুই পরিবারের মাত্র কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, দেশের এমন পরিস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ভালো লাগবে না। তাই কিছু অর্থ অনুদান দিয়ে আমরা অসহায় মানুষের কষ্টের ভাগীদার হলাম। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলে বড় পরিসরে বৌভাত অনুষ্ঠান করা হবে।

কক্সবাজার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোসেন যুগান্তরকে জানান, নিম্ন আয়ের মানুষকে সহায়তা দিতে গঠিত করোনা সহায়তা তহবিলে হেলাল-সালমা নবদম্পতি ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন। এটি একটি ভালো উদ্যোগ, তাদের মতো সবাইকে হতদরিদ্র মানুষের জন্য এগিয়ে আসা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

About khan

Check Also

আপ’ত্তিকর অবস্থায় ধরা, ভাতিজাকে নিয়ে হা’নিমুনে চাচি

চাচির সঙ্গে অ’ন্ত’রঙ্গে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ভাতি’জাকে আ’টক করেছে এলাকাবাসী। ঘট’নানি ঘটেছে ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *