Monday , May 10 2021
Breaking News
Home / Exception / প্রতিদিন বৃদ্ধার কান্না শোনেন প্রতিবেশীরা, স্বজনরা বললেন অভিনয় করছে!

প্রতিদিন বৃদ্ধার কান্না শোনেন প্রতিবেশীরা, স্বজনরা বললেন অভিনয় করছে!

বকুলনেছার বয়স প্রায় ৭০। মেয়ের ঘরের এক না’তনিকে নিয়ে বসবাস করেন নিজ বাড়িতে। বসতঘর ও স্বামীর রেখে যাওয়া জমি আবা’দ করে চলছে তাদের সংসার। সেই সম্প’ত্তির দখল

করতে বকুলনেছার দেবরের ছেলে আলাল উদ্দিন প্রায়ই তাকে মা’রধ’র করেন বলে অ’ভিযো’গ পাওয়া গেছে। মা’রধ’রে আ’হ’ত হয়ে ওই বৃদ্ধা আজ বুধবার নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের নরেন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিবেশীরা বলেন, আল্লার ৩০ দিনই ওই বুড়ির কা’ন্দন হু’নি। স’হ্য করতাম পারি না। এর একটা বি’চার হওয়া দরকার। তবে বৃদ্ধার দেবরের ছেলের স্ত্রী ও স্থানীয় নারী

ইউপি মেম্বার বুলু খাতুন বলেন, ‘ওই মহিলা ভালো না। তিনি আ’ঘা’তপ্রা’প্ত হওয়ার ভান (অভিনয়) করছেন’। আ’হ’ত বকুলনেছার অভিযোগ, জোর করে ভি’টামা’টি ও জমিজমা দখল

করে নেওয়ার জন্য আলাল উদ্দিন তার স্ত্রী ও স্থানীয় নারী ইউপি সদস্য মোছা. বুলু খাতুনে প্রভাব খাটিয়ে তাকে ‘নি’র্যা’চন’ করে। তার বসতঘরের টিন কু’পি’য়ে ক্ষ’তিগ্র’স্ত করেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হাই জানান, সকল ঘটনা সম্পর্কে থা’নায় অব’হিত করলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এলাকায় সালিস বসিয়ে বি’চার করলেও ওই বি’চা’র মানেননি আলাল।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসনাত মিন্টু বলেন, ‘আলালের স্ত্রী আমার সদস্য। আমি প্রকা’শ্যে কিছু করতে পারছি না। আপনারা ব্যবস্থা করেন, আমার সম্মতি থাকবে’।

আলাল উদ্দিন দাবি করেন, বৃদ্ধা নিজের শরীর নিজে জ’খ’ম করে তাকে ফাঁ’সা’তে চাইছে। এসব তাদের পৈ’তৃক জমি। কিন্ত বৃদ্ধা তাদেরকে জমির দলিল দেখাচ্ছে না। নান্দাইল মডেল থানার

ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, জমিজমা’র মালিকানা নিয়ে ঘটনার সূ’ত্রপা’ত। বৃদ্ধা নারী থানায় অভিযোগ দিয়েছিলেন। আমরা সেটি ১০৭ ও ১১৭ ধারা’য় বি’চা’রের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট ‘আদালতে পাঠিয়েছি।

About khan

Check Also

কামাক্ষা মায়ের এই আসল র’হস্য হয়তো আপনার অ’জানা! যা পড়লে শি’উরে উঠবেন।

অসমের রাজধানী দিল পুরের গোহাটির আট কিলোমিটার দূরে নীলাচল পর্বতে অবস্থিত একটি সুবিখ্যাত প্রাচীন মন্দির ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *