Saturday , May 8 2021
Breaking News
Home / Exception / পৃথিবীর সবচেয়ে দামি গাছ, ১ কাঠা চাষ করলেই কোটিপতি, একটি গাছ আজীবনের পেনশন

পৃথিবীর সবচেয়ে দামি গাছ, ১ কাঠা চাষ করলেই কোটিপতি, একটি গাছ আজীবনের পেনশন

কৃষি নির্ভর দেশ ভারতে ধান গম থেকে শুরু করে নানান ফসলের চাষ হয়। এর পাশাপাশি পৃথিবীতে এমন একটা জিনিস চাষ হয় যে গাছের দাম পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি। কেউ যদি এক কাঠা সেই গাছের চাষ করতে পারে তাহলে সে কোটিপতি হয়ে যাব’েন। পৃথিবীর সবচাইতে দামি এই গাছটি হলো চন্দন গাছ। বাড়িতে পুজো হোক বা অনান্য শুভ অনুষ্ঠান সমস্ত ক্ষেত্রেই চন্দনের আবশ্যকতা আছে। সবক্ষেত্রেই চন্দন কাঠ ঘষে চন্দন তৈরি করা হয়।

কেউ যদি এক একর জমি জুড়ে এই চন্দন গাছের চাষ করেন একটা সময় তিনি ৩০ থেকে ৩২ কোটি টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারবেন। কোন ব্যক্তি যদি একটি গাছ চাষ করতে পারেন তাহলেও কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পাবেন। তবে এই অতীব লাভজনক চাষ সম্পর্কে অনেক কম মানুষই অ’ভিজ্ঞ আছেন। আজকে এই চন্দন চাষ সম্পর্কেই কতগু’লি তথ্য বলবো।

চন্দন এর ব্যবহার, চন্দন কাঠের ব্যবহার
চন্দন সাধারণত তিন প্রকারের (types of sandalwood), শ্বেতচন্দন, র’ক্ত চন্দন (red sandalwood) বা লাল চন্দন,পিত চন্দন। তবে পিত চন্দনের কথা শোনা গেলেও এর কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। শ্বেত এবং র’ক্ত চন্দন দুটিই ঔষধ ও প্রসাধনী শিল্পে ব্যবহার হয়। এর মধ্যে শ্বেতচন্দন এর মূল্য বেশী। একটি চন্দন গাছ নামমাত্র পরিচর্যায় ১০-১৫ বছরের ব্যবধানে পেনশনের মত আর্থিক সুবিধা দিতে পারে।

শ্বেত চন্দনের উপকারিতা, চন্দন কাঠের উপকারিতা
আমা’দের দেশের সব এলাকাতে এর চাষ করা সম্ভব। শ্বেতচন্দন গাছ থেকে তেল, প্রসাধনী,ঔষধ ও দামী আতর, ধুপ, সাবান, পাউডার, আতর, ক্রিম, দাত মাজার পেষ্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়তৈরি করা হয়। অনেক হোমেওপ্যা ঔষধ আছে যাতে চন্দনের ব্যবহার হয়। তাই শ্বেত চন্দনের উপকারিতা (benefits of sandalwood) বলে শেষ করা যাব’ে না।

আসল চন্দন কাঠ চেনার উপায়
তবে বাজারে আসল শ্বেত চন্দন (original sandalwood) পাওয়া কঠিন। মেয়েদের অনেক জটিল গো’পন রোগ শ্বেত চন্দন প্রয়োগে ভালো ফল পাওয়া যায়। বাজার থেকে আমর’া যে চন্দনকাঠ কিনি তা প্রায়ই নকল। ভেজাল চন্দন কাঠে একটি নরম স্তর দেওয়া থাকে।

How to Identify Fake Sandalwood
ওই কাঠগু’লোতে পেয়ারা কাঠে চন্দনের সুগন্ধি মেশানো থাকে। তাই কয়েকদিন পরে কোন সুগ্রান থাকেনা। তাই চন্দন কাঠ কেনার আগে ছু’রি বা ব্লে’ড দিয়ে চন্দন কাঠের গায়ে আঁচড় দিয়ে দে খু’ন।

How to Identify Original Sandalwood
চন্দন কাঠ আসল হলে এটা হাতে নেয়ার সাথে সাথেই আপনার হাত মিষ্টি সুগন্ধ হয়ে যাব’ে। আসল চন্দন কাঠ শুধু আপনার ‘হতেই নয় এমনকি আপনার স্থানের চারপাশ তখন সুগন্ধি (the smell of sandalwood) করে দিতে পারে। প্রকৃত চন্দন কাঠের গন্ধ (the smell of sandalwood) কয়েক দশক ধরে স্থায়ী হয় (does sandalwood expire)। এই কাঠ সাধারণত ভারী, হলুদ, এবং হালকা খসখসে হয়।

চন্দন গাছ চাষ (Sandalwood Cultivation)
একটি চন্দন গাছ বিক্রির উপযুক্ত ‘হতে ১২ বছর সময় লাগে আর প্রথম চার বছর এই গাছটিতে কোন সুগন্ধ থাকে না। চন্দন গাছ যথোপযুক্ত ‘হতে ১২ বছর সময় লাগে। (sandalwood cultivation in west bengal) এই ১২ বছর পর ১৫-২০ কেজি চন্দন কাঠ তৈরি হয় যার আর্থিক মূল্য ৬ লক্ষের ও বেশি। চন্দন গাছ ভীষণ দামি হওয়ার কারণে এই গাছটিকে চুরির হাত থেকে (is red sandalwood cultivation legal) বাঁচাতে হয়। চন্দন গাছ শুধু চাষ করলেই হয় না,এর সাথে একটি হোস্ট গাছের চাষ করতে হয়।

আর চাষ (sandalwood farming) করবার সময় (how to plant sandalwood) দুটো গাছের ই সমান যত্ন নিতে হবে কারণ হোস্ট গাছ (is sandalwood a parasitic plant) নষ্ট হয়ে গেলে চন্দন গাছটিও নষ্ট হয়ে যাব’ে। তবে চন্দন গাছ চাষ করলেও তা বিদেশে র’প্ত ানী করতে পারবেন না, (is sandalwood farming legal in india) তা একমাত্র আপনি সরকার কেই বিক্রি করতে পারবেন‌ সরকার মনে করলে চন্দন কাঠ বিদেশে র’প্ত ানী করতে পারেন।

চন্দন সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ভারতে (sandalwood farming in india) । এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার কিছু দেশ, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দেশেও এই সুগন্ধি গাছ পাওয়া যায়। শ্বেত চন্দনগাছের উচ্চতা প্রায় ৪-৯ ফুট পর্যন্ত ‘হতে পারে। এরা চিরসবুজ গাছ এবং শত বছর বাঁচে (sandalwood lifespan)। গাছের পাতার ওপরের অংশ উজ্জ্বল সবুজ থাকে। এটি (sandalwood leaves) পাতলা এবং দেখতে অনেকটা ডিম্বাকৃতি। চন্দনগাছ সাধারণত আট’ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।

চন্দন চাষ প’দ্ধতি (Sandalwood Cultivation Process)একসাথে যদি অনেকগু’লি চারা কেনেন তাহলেই একমাত্র এক্ষেত্রে লাভবান ‘হতে পারবেন অন্যথা একটা দুটো কিনলে দাম বেশি পড়বে। একসাথে যদি অনেকগু’লি চন্দন গাছের চারা কেনেন , তাহলে প্রতি চলা পিছু ৫০০ টাকা করে দাম পড়বে।চন্দন গাছের ক্ষেত্রে নিচু জমিতে চাষ করা উচিত নয় তাহলে সেটা পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে কারণ চন্দন গাছের জন্য খুব বেশি জলের দরকার হয়না।যে সকল স্থানে অত্যাধিক তাপমাত্রা রয়েছে সে সকল জায়গায় চন্দন চাষ খুব একটা ভালো হয় না। ৫থেকে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় এই চাষ ভালো হয়।

About khan

Check Also

শেষ জীবনের দু’ধ পানের হৃদয়বিদারক দৃশ্য

মা’ ছোট্ট এই শব্দটার মধ্যে লুকিয়ে আছে অকৃপণ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার অসীম ও আশ্চর্য রকমের ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *