Sunday , June 13 2021
Breaking News
Home / Exception / জে’নে রাখু’ন কখন স’হবাস করলে মে’য়েরা বেশী তৃ’প্তি পায়

জে’নে রাখু’ন কখন স’হবাস করলে মে’য়েরা বেশী তৃ’প্তি পায়

পুরুষরাই রাতের বেলা শা’রীরিক মি’লন বা স’হবাস করা এড়িয়ে চলতে চায় । এ ক্ষেত্রে সকালের দিকটাকেই তারা বেছে নেয়। অন্যদিকে দেখা যায়, রাতের বেলায় নারীরা যখন স’হবাস করার জন্য বেপরোয় হয়ে উঠে ঠিক তখন পুরুষরা নাক ডেকে ঘু’মাচ্ছে। আবার সকাল বেলা যখন পুরুষরা সহ’বাস ক’রতে চায়

তখন নারীদের এ নিয়ে তেমন কোনো আগ্রহ থাকেনা।’অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আ’সলে এমনটি কেন হয়। শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্র’তিবেদনে

বলা হয়েছে, মানুষের হর’মোনের কারণে এমনটি দেখা যায়। আসুন দেখা যাক, কোন সময় মানুষের যৌ’ন প্র’ণোদনা কেমন হয়। ভোর পাঁচটা :- যখন একজন পুরুষ ঘু’ম থেকে ওঠে তখন তার টে’সটোসটেরনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় এটির মাত্রা থাকে ২৫-৩০ শতাংশের মধ্যে।

এটি দিনের অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি। এছাড়া পুরুষের সে’ক্স হর’মোন উৎপাদনের জন্যে যে পি’টুই’টারি গ্র’ন্থি কাজ করে সেটি রাতে চালু হয়। ভোরের দিকে এটি বাড়তে থাকে।

সকাল ছয়টা :- ভাল ঘু’ম উ’ত্তেজনা বৃ’’দ্ধির একটি কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় গ’ভীরভাবে একটি ঘু’ম দিলে টে’সটোসটেরনের মাত্রা বৃ’দ্ধি পায়।

আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৫ ঘণ্টার বেশি ঘু’ম পুরুষের টে’সটোসটের মাত্রা অতিরি’ক্ত ১৫ শতাংশ বৃ’দ্ধি করে।

দুপুর বারোটা :- এসময় সামনে দিয়ে সু’ন্দরী রমণী হেঁটে বেড়ালেও কোনো ধ’রনের যৌ’ন প্র’ণোদনা তৈরি হয় না। এ সময় হয়ত কাউকে দেখলে মনের মধ্যে ভালো লা’গা তৈরি হয়। এসময় সে’ক্স হর’মোন বাড়তে অনেক সময় নেয়। বেলা একটা :- এসময় যদি কোনো নারী তার স’’ঙ্গীকে নিয়ে চিন্তা করে তাহলে তার টে’সটোসটেরনের মাত্রাটা দ্রুত বাড়ে। কিন্তু পুরুষদের এসময় সে’ক্স হর’মোন অনেক ধীরে কাজ করে।

সন্ধ্যা ছয়টা :- এই সময়ে নারীদের টে’সটোস’টেরনের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে পুরুষদের টে’সটোস’টের মাত্রা কমতে থাকে। তবে একটি গবেষণায় দেখা গেছে, জিম করার পর নারী ও পুরুষ উভ’য়েরই কামশ’ক্তি বাড়ে। সন্ধ্যা সাতটা :- জাপানের নারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এসময় মিউজিক নারীদের স’হবাস হ’রমোন বৃ’দ্ধি করে। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্র’ভাব প’ড়ে না।

রাত আট’টা :- এসময় যদি পুরুষরা টেলিভিশনে উ’ত্তেজনাপূ’র্ণ কোনো খেলা দেখে তাহলে সেটি তার স’হবাস হ’রমোন বৃ’দ্ধিতে সহায়তা করে। উথাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক লালা গবেষণায় দেখা গেছে, এমন সময় যদি কেউ বিশ্বকাপের মত কোনো একটি উ’ত্তেজ’নাপূর্ণ ম্যাচ দেখে এবং তার পছন্দের দল জিতে তাহলে তার স’হবাস হ’রমোন ২০ শতাংশ বৃ’দ্ধি পায়। আর যদি তার দল হারে তাহলে তার স’হবাস হ’রমোন ২০ শতাংশ কমে যায়। অন্যদিকে, নারীরা খেলা দেখার চেয়ে খেলা করলে তার স’হবাস হরমোন বেশি বৃ’’দ্ধি পায়।

রাত নয়টা :- এসময় নারীদের সে’ক্স হর’মোন সাধারণত বৃ’দ্ধি পায়। তবে যদি নারীরা মনে করে যে তাকে দে’খতে খুব খা’রাপ দেখাচ্ছে তাহলে সে স’হবাস ক’রতে তেমন আগ্রহী হয় না। রাত দশটা :- এসময় যদিও পুরুষদের টে’সটোস’টেরনের মাত্রা কম থাকে তারপরও তারা স’ঙ্গী’নির সাথে স’হবাস ক’রতে চায়। এসময় নারীদেরও যৌ’ন চা’হিদা বেশি থাকে।

সকাল সাতটা :- যখন পুরুষরা সকালে ঘু’ম থেকে ওঠে তখন তাদের স’হবাস হরমোনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এসময় নারীদের সে’ক্স হ’রমোনের মাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে। ওয়েস্ট বার্মিংহা’ম হাসপাতালের স্ত্রীরো’গ বিশেষজ্ঞ গ্যাব’্রিয়েল ডৌনি বলেছেন, দিনের অ’পরভাগে নারী ও পুরুষের টে’সটোসটে’রনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। তবে ঋ’তুস্রা’বের কারণে নারীদের স’হবাস হর’মোন ব্যা’পকভাবে ওঠানামা করে।

সকাল আট’টা :- এসময় নারী ও পুরুষ উভ’য়ই দিনের কাজে’র জন্যে ব্যস্ত হয়ে প’ড়ে। তাদের স্ট্রে’স হরমোন করটিসলের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এটি মানুষের স’হবাস হর’মোনের প্র’ভাব’কে কমিয়ে আনে। নারী-পুরুষের যৌ’ন প্রণোদনা তাদের ব্য’ক্তিগত ইচ্ছার উপর নির্ভর করে না। হর’মোনই এটির প্রধান চালিকা শ’ক্তি। একারণে পুরুষ ও নারীর যৌ’ন চাহি’দার মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।

About khan

Check Also

সুন্দরী যুবতীর পো-শাক টে-নে স্ত-নে মুখ ও হাত দিলো বাঁদর, বে-কা-য়দায় প-ড়ে গেলেন যুবতী, ভাইরাল ভিডিও!

আম’রা প্রত্যেকেই চাই যে আমা’দের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা একটু ভিন্ন মাত্রায় স্বাদ আনতে এবং এই ভিন্ন ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *