Friday , July 23 2021
Breaking News
Home / Exception / জানিনা কার সন্তান আমর পেটে, স্বামী নাকি দেবরের

জানিনা কার সন্তান আমর পেটে, স্বামী নাকি দেবরের

আমা’র নাম লিমা। সারাদিন একা একা থাকি আর এসব ভাবি। আমি আসলেই কার স’ন্তান পেটে নিয়ে চলাফেরা করছি। দয়া করে আমা’র পরিচয় সকলের সামনে তুলে ধরবেন না। কারন, আমি আমা’র সংসারকে অনেক ভালোবাসি। আমা’র বিয়ে হয়েছে আড়াই বছর আগে।

তখন আমি মাত্র এস এস সি পাশ করি। শশুর বাড়ির লোকজন খুব ভালো। তারা সকলেই আমাকে অনেক ভালোবাসে। আমা’র শশুর বাড়ির কারো ইচ্ছে নেই। আমি আরও বেশী লেখাপড়া করি। আমি সেটা বুঝতে পেরেছিলাম। আমা’র স্বা’মী ছিল অশিক্ষিত। আমি বেশিদুর লেখাপড়া করলে হয়তো

তাকে ছাড়তে পারি এই ভ’য়ে আর একটি কারন হলো তারা কখনই আমাকে চাকুরী করতে দেবে না আর কলেজটিও ছিল আমা’র শশুর বাড়ি থেকে অনেক দুরে। যাই হোক মূল কথায় আসা যাক।

বিয়ের পর থেকেই শশুর বাড়ির সবাই আমাকে অনেক ভালোবাসে, আদর করে। আমা’র দুটি দেবর আছে তারা একজন আমা’র সমবয়সী এবং অন্যজন ১০ম শ্রেণীতে পড়ে।

একজনের নাম সুমন আর অন্য জনের নাম সুজা। সুমন শহরে থেকে লেখাপড়া করে আর সুজা বাড়িতেই থাকে। সুমন বাড়িতে আসলে একসাথে লুডু খেলা হয়। অনেক মজা হয়। এভাবে বছর খানেক কাটে।

এদিকে, সুমন এইচ এসসি পরীক্ষা শেষ করে বাড়িতে এসেছে। সবাই মিলে সব সময় হাসাহাসিতেই কাটে। একদিন আমাদের এক দুর আত্মীয়ের কেউ মা’রা যায়। সেখানে সবাই চলে যায়।

বাড়িতে শুধু আমি থাকি। এদিকে, সুমন তার এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিল। সে কারনে সবাই যাওয়ার কিছু পরেই সুমন বাসায় চলে আসে। আসার পর বাড়িতে কেউ নেই শুনে যেন তার ঈদ লাগে।

তখন বুঝতে পারিনি বাসায় একা শুনে তার এতো কেন? রুমে গিয়ে লুডু খেলতে বসেছি দুজনে। আমা’র দেবর সুমনের সাথে আমা’র শা’রীরিক স’ম্পর্ক হয়ে গেল। আমি আর তাকে বা’ধা দিইনি। এরপর থেকে সে যখনই সুযোগ

পেত তখনই এসব করত আমা’র সাথে। এভাবে চলে প্রায় দুই মাস। এরপর সুমনের রেজাল্ট হয় এবং সে আবার শহরে চলে যায়। তারপর ২-৩মাস পর বুঝতে পারি যে আমি প্রে’গনেন্স হয়ে পড়িছি। এখন আমা’র ছয় মাস চলছে।

সেই মূহুর্ত গুলো আমা’র এখন সারাক্ষন মনে পড়ে। আসলে আমা’র পেটের এই বাচ্চাটি কার? আমি মা’নসিকভাবে খুবই স’মস্যায় রয়েছি। এসব কথা কখনও কারো সাথে শেয়ার করার আস্থা আমি পাই না। কথাগুলো বলার আমা’র একটাই উদ্দেশ্য আমা’র মতো খেলার ছলে এসব যেন আর কেউ না করে।

এই বিষয়ে কিছু পরাম’র্শ দিন। পরাম’র্শ: আপু আপনার জীবনে যা ঘটেছে তা যেন আর কারো জীবনে না ঘটে এটাই আমাদের কাম্য। তবে এখন আপনি নিজেকে এই স’ন্তানের বাবা হিসেবে আপনার স্বা’মীকেই প্রাধান্য দিন। তবেই আপনি মা’নসিকভাবে শান্তি পাবেন। হয়তো এসব ঘ’টনা অনেকের জীবনে ঘটে। আপনি আপনার সংসারের সকলকে নিয়ে সর্বদায় শান্তিতে থাকেন এটাই আমাদের চাওয়া। আর আপনার দেবরকে এসবে পরবর্তীতে পাত্তা দেবেননা এটাই আম’রা আপনার কাছ থেকে আশা করব। ধন্যবাদ।

About khan

Check Also

নোবেলের সাথে জবার বিয়ে, প্রকাশ্যে মুখ খুললেন ‘কে আপন কে পর’-এর জবা

কয়েক মাস আগে নেটদুনিয়ায় জবা ওরফে পল্লবী শর্মা (Pallavi sharma) এবং বাংলাদেশের গায়ক নোবেল ( ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *