Saturday , July 24 2021
Breaking News
Home / Exception / ছে’লের বিয়ের দিন মা জা’নলেন কনে তার হা’রিয়ে যাওয়া মেয়ে!

ছে’লের বিয়ের দিন মা জা’নলেন কনে তার হা’রিয়ে যাওয়া মেয়ে!

প্রায় ২০ বছর আগে হা’রিয়ে গিয়েছিল একমাত্র মেয়ে। সেই শোক ভুলে গেলেও ভুলে যাননি স’ন্তানের কথা। এখানে ওখানে খুঁজে বে’ড়াতেন মেয়েকে। এরই মধ্যে বড় হয়ে উঠে ছেলে। সেই ছে’লের বিয়ে ঠিক করেন মা নিজেই।

কিন্তু ঝা’মেলা বাঁধে ছেলের বিয়ের দিন। যিনি বউমা হতে চলেছেন জানা গেলো সেই পাত্রী নাকি তার হা’রিয়ে যাওয়া মেয়ে! সম্প্রতি ঘট’নাটি ঘটেছে চীনের জিয়াংশু প্রদেশের সুঝাউ এলাকায়। ছেলের বিয়েতে আড়ম্বরের কোনো অভাব রাখেননি।

চলে এসেছিলেন অতিথিরাও। এর মধ্যেই কনের সাজে সবার সামনে এলেন পাত্রী। ব’উমার মুখ দেখে কেনো জানি ওই মা’য়ের মনে হতে লাগলো এ তো তার হা’রিয়ে যাওয়া মেয়ের মতোই! এরপর ভালো করে কনেকে দেখতে লাগলেন তিনি।

দে’খলেন তার মুখের ওই দাগটা তো জন্মের পর থেকেই ছিল। সঙ্গে সঙ্গে কনের বাবা-মাকে ডে’কে বসেন তিনি। সত্যটা জানতে চান। প্রথমে ওই মে’য়ের বর্তমান বাবা-মা মুখ খু’লতে চাননি। পরে বেরিয়ে আসে স’ত্য ঘটনা।

এক প’র্যায়ে কনের বাবা-মা স্বীকার করে নেন, বেশ কয়েক বছর আগে রা’স্তায় কুড়িয়ে পেয়েছিলেন মে’য়েটিকে। তারপর নিজেদের সন্তান হি’সেবেই তাকে বড় করেন। বিয়ে’বাড়িতে তখন হুলস্থুল কাণ্ড।

গোটা বি’ষয়টি জানানো হয় কনেকেও। সব শুনে নিজেকে আর সামলে রাখতে পা’রেননি তিনি। জন্ম’দাত্রীকে পেয়ে কা’ন্নাকাটি শুরু করে কনে। এবার গোল বাধে অ’ন্যখানে। ভাই-বোনের তো আর বিয়ে সম্ভব নয়।

তখন বের হয়ে আসে আরও বড় চম’ক। মেয়ে হারানো ওই মা তখন বলে বসেন, যার সঙ্গে মে’য়েটির বিয়ে ঠিক হয়েছে সে ছেলেরও জ’ন্মদাত্রী মা তিনি নন! প্রায় দুই দশক আগে মেয়ে হারানোর পর এ ছে’লেটিকে দত্তক নিয়েছিলেন তিনি।

তবে তাকে বড় করে তুলে’ছিলেন একদম নিজ সন্তানের মতো করেই। ফলে ভাই-বো’নের আর কোনো প্রশ্নই নেই। ফের বেজে ওঠে বিয়ের সানাই। অতি’থিরাও নতুন করে মেতে ওঠেন আনন্দে। দিনভর নানা বাধা-বিঘ্ন ট’পকে শেষ পর্যন্ত চারহাত এক হয়। হাফ ছেড়ে বাঁচেন নব দম্পতি।

About khan

Check Also

নোবেলের সাথে জবার বিয়ে, প্রকাশ্যে মুখ খুললেন ‘কে আপন কে পর’-এর জবা

কয়েক মাস আগে নেটদুনিয়ায় জবা ওরফে পল্লবী শর্মা (Pallavi sharma) এবং বাংলাদেশের গায়ক নোবেল ( ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *