Wednesday , August 4 2021
Breaking News
Home / Education / চীন বিশ্বকে কতটুকু বদলে দিতে পারবে

চীন বিশ্বকে কতটুকু বদলে দিতে পারবে

চীন বিশ্বকে কতটুকু বদলে দিতে পারবে?
তারেক শামসুর রেহমান

বিশ্ব সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) ভূমিকা অবিসংবাদিত। ২০২১ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি তার জন্মের ১০০ বছর উদযাপন করবে।

১৯২১ সালে যে কমিউনিস্ট পার্টির জন্ম হয়েছিল, সেই কমিউনিস্ট পার্টি ১৯৪৯ সালে বর্তমান চীনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। এরপর কেটে গেছে ৭০ বছর। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে চীন এখন বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি। গত ১৯ নভেম্বর বিল গেটস চীনে গিয়েছিলেন।

বিল গেটসের ফাউন্ডেশন চীনে যক্ষ্মা নির্মূল কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে। উল্লেখ্য, গত ১০ বছর ধরে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন চীনে কাজ করছে। বিল গেটস চীনের প্রশংসা করে বলেছেন, চীন ৮০ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্র্য থেকে তুলে আনতে পেরেছে। তিনি বলেছেন, বিশ্বের উন্নয়নে চীনের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টি গঠনের সময় ১৯২১ সালে উদ্যোক্তাদের মাঝে দু’জন ছিলেন চেন দুজিউ এবং লি দাঝাও। সেই কমিউনিস্ট পার্টি এখন শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। ২৮ বছর আগে ১৯৯১ সালে যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায়, তখন বিশ্বের দৃষ্টি ছিল চীনা কমিউনিস্ট পার্টির দিকে।

আশঙ্কা ছিল সিপিসিও ভেঙে যাবে। সোভিয়েত নেতা মিখাইল গরবাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টিতে সংস্কার আনতে গিয়ে পুরো দেশটিই ভেঙে দিয়েছিলেন। তার সংস্কার (অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক) সোভিয়েত ইউনিয়নকে একত্রিত রাখতে পারেনি। চীনা কমিউনিস্ট পার্টিতেও সংস্কার এসেছে।

চীনা নেতারা যথেষ্ট সতর্ক ছিলেন। তারা সংস্কার করেছেন। তারা গরবাচেভ মডেলের ‘পেরেস্ত্রইকা’ অর্থাৎ পুনর্গঠনে নিয়োজিত হয়েছেন। কিন্তু গরবাচেভের ‘গ্লাসনস্ত’-এর ধারণা, অর্থাৎ সবকিছু উন্মুক্ত করে দেয়া, এটি গ্রহণ করেননি। গরবাচেভ ‘পেরেস্ত্রইকা’ ও ‘গ্লাসনস্ত’ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বিপত্তি বাধিয়েছিলেন। ফলে ভেঙে যায় সোভিয়েত ইউনিয়ন। চীনে সংস্কার এসেছিল বিধায় চীন আজ বিশ্বশক্তি। আজও চীনের ঐক্য টিকে আছে।

চীনের ৭০ বছরের যে রাজনীতি, সেই রাজনীতিকে আমরা কয়েক পর্বে ভাগ করতে পারি। এলিজাবেথ সি. ইকোনমি নামে একজন চীনা বিশেষজ্ঞ চীনের ইতিহাস নিয়ে একটি বই লিখেছেন- ‘The Third Revolution’। এ ক্ষেত্রে এই ৭০ বছরের ইতিহাসকে তিনি তিন পর্ব হিসেবে দেখেছেন।

প্রথম পর্বে মাও জে দংয়ের সময়কাল, দ্বিতীয় পর্বে দেং জিয়াও পিং ও অর্থনৈতিক সংস্কারের উদ্যোগ আর তৃতীয় পর্বে শি জিনপিংয়ের উত্থান এবং চীনকে বিশ্বশক্তিতে পরিণত করা। ১৯৪৯ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত যে সময়সীমা, তাতে আমরা দেখেছি ‘চার কুচক্রীর’ (মাওয়ের স্ত্রী জিয়াং কুইয়ংয়ের নেতৃত্বে) উত্থান এবং মাও জে দংকে রেখে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা, অতি বাম রাজনীতি, ‘গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড’ (১৯৫৮), যৌথ খামার ব্যবস্থা ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব।

ওই সাংস্কৃতিক বিপ্লব চীনে পরে বিতর্কিত হয়েছিল। ওই সময়সীমায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে গ্রামের যৌথ খামারে কাজ করতে ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বাধ্য করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে জানা গেছে, সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কারণে প্রায় ৩ কোটি মানুষ মারা গেছেন (১৯৫৮-১৯৬১)।

এটি ছিল অতি বামবাদের লক্ষণ (পাঠক, কম্বোডিয়ার পল পটের নেতৃত্বাধীন সময় কিংবা আলবেনিয়ার এনভার হোজার সময়ের কথা স্মরণ করতে পারেন)। চীনের ইতিহাসে এটা ছিল একটা কালো অধ্যায়। মাও জে দং চীনা ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় নাম। কিন্তু সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় তার ভূমিকার কারণে তিনি সমালোচিত হয়েছেন। চীনা নেতারা এখন স্বীকার করেন মাও ভুল করেছিলেন।

দ্বিতীয় পর্বটা শুরু হয়েছিল দেং জিয়াও পিংয়ের উত্থানের মধ্য দিয়ে। দেং চীনকে বদলে দিয়েছিলেন। আধুনিক চীনের সংস্কারের জনক হিসেবে যদি কাউকে চিহ্নিত করা যায়, তাহলে তিনি হচ্ছেন দেং জিয়াও পিং। দেং অর্থনৈতিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। তিনি মনে করতেন, উন্নয়নটা প্রয়োজন।

পাঠক স্মরণ করতে পারেন, তার একটি বিখ্যাত উক্তি- ‘বিড়াল সাদা কী কালো, এটা বড় কথা নয়; বড় কথা বিড়াল ইঁদুর মারে কিনা’। এর ব্যাখ্যা পরিষ্কার- উন্নয়ন চাই, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি চাই, তা যে কোনো সমাজব্যবস্থাতেই হোক না কেন।

দেং তার এ ধরনের বক্তব্যের জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন। পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। ওই সময়টা (১৯৭৬-১৯৮৯) ছিল অর্থনৈতিক সংস্কারের যুগ, যার ভিত্তি দেং করে দিয়ে গিয়েছিলেন। তবে মনে রাখতে হবে, দেং কোনোদিন পার্টি চেয়ারম্যান ছিলেন না। রাষ্ট্রের কোনো পদ তিনি গ্রহণ করেননি। শুধু পার্টির মিলিটারি কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে গেছেন।

কিন্তু সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। চীনকে বিশ্বশক্তিতে পরিণত করার মূল রূপকার তিনি। ২০১২ সালের ১৫ নভেম্বর সিপিসির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেয়ার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হন।

বৈদেশিক নীতিতে বড় পরিবর্তন আনার আগেই তিনি ২০১৩ সালে কাজাখস্তান সফরের সময় তার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই) উপস্থাপন করেন। বিআরআই (যাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ থেকে ৮ ট্রিলিয়ন ডলার) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি দর্শন। এর মাধ্যমে চীন বিশ্বের ৬৫টি দেশকে চীনের সঙ্গে সংযুক্ত করবে। বিআরআই দু’ভাবে কাজ করবে- প্রথমত, সড়ক ও রেলপথে মধ্য এশিয়া, পাকিস্তান ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ ইউরোপ পর্যন্ত সংযুক্ত হবে।

দ্বিতীয়ত, সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা হয়ে সুদূর ইউরোপ পর্যন্ত তা সংযুক্ত হবে। এর মধ্য দিয়ে চীনা পণ্য অতি দ্রুততার সঙ্গে ও সহজলভ্যে পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে যাবে। চীন বিআরআই’র আওতায় দেশগুলোকে অবকাঠামো খাতে ঋণ দেবে। তবে এই চীনা ঋণ নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

বলা হচ্ছে, ঋণ দিয়ে চীন ‘ঋণের ফাঁদে’ ফেলছে দেশগুলোকে। তবে বিআরআই নিয়ে যত বিতর্কই থাকুক না কেন, এটি যে চীনকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ হিসেবে পরিচিত করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটি সফল হলে পৃথিবীর জনসংখ্যার তিন ভাগের দু’ভাগ মানুষ চীনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বাংলাদেশও বিআরআই’র আওতায় চীন থেকে ঋণ নিচ্ছে।

গবেষক এলিজাবেথ সি. ইকোনমি লিখেছেন, ‘Under Xi, China now actively seeks to shape international norms and institutions, and forcefully asserts its presence on the global stage’। মিথ্যা বলেননি তিনি। চীনের আর্থিক ভিত্তি চীনকে যথেষ্ট শক্তিশালী করেছে এবং দেশটিকে বিশ্বশক্তিতে পরিণত করেছে।

বিআরআই পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আরও একটি উদ্দেশ্য কাজ করছে- তা হচ্ছে, ভারত মহাসাগরভুক্ত অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান মার্কিন আগ্রাসনের মুখে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ। যুক্তরাষ্ট্র তার ‘Pivot to Asia’ পরিকল্পনায় ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তার সামরিক প্রভাব বাড়াচ্ছে।

এর বিপরীতেই মার্কিন প্রভাব কমাতে চীন তার বিআরআই পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, ভারত মহাসাগরভুক্ত অঞ্চলে প্রভাব-প্রতিপত্তি নিয়ে আগামী দিনে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব এ অঞ্চলে স্নায়ুযুদ্ধ ২-এর জন্ম দিতে পারে।

চীন এখন পরিপূর্ণভাবে বদলে গেছে। চীন-ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় (১৯৭৮) সংবাদপত্রে খবর বেরিয়েছিল, চীনা সৈন্যরা কোথাও কোথাও খালি পায়ে (বুট ছাড়া) যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। চীনের নাগরিকরা একসময় তাদের ঘরে একটি সেলাই মেশিন থাকলেও তা নিয়ে গর্ব করত।

সেই চীন এখন বিশ্বের ধনী দেশগুলোর একটি। ২০১৯ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী বিশ্বে জিডিপিতে শীর্ষে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র (২১৪৮২.৪১ বিলিয়ন ডলার)। এর পরের অবস্থান চীনের, ১৪১৭২.২০ বিলিয়ন ডলার (Statics Times, IMF, April 2018). কিন্তু ক্রয়ক্ষমতার দিক থেকে শীর্ষে থাকবে চীন (২৭৪৪৯.০৫ বিলিয়ন ডলার)। যুক্তরাষ্ট্র নিচে নেমে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে (২১৪৮২.৪১ বিলিয়ন ডলার)।

পরিসংখ্যানই বলে দেয় বিশ্ব রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ এখন চীনের হাতে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ছাত্ররা জানেন, উনবিংশ শতাব্দী ছিল ব্রিটেনের হাতে (Pax Britanica), বিংশ শতাব্দী ছিল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে (American Century)। আর একুশ শতক হবে চীনের, চীনা ভাষায় (চরহুরহ) যার আভিধানিক অর্থ The Chinese Century. এই Chinese Century-ই বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করবে একুশ শতকে।

এ ক্ষেত্রে গত ৭০ বছরে চীনের যে অগ্রগতি, সে ব্যাপারে কিছুটা আলোকপাত করা যেতে পারে। চীন ছিল একটি কৃষিভিত্তিক সমাজ। ১৯৪৯ সালে কৃষিতে উৎপাদনের পরিমাণ যেখানে ছিল ১১৩ দশমিক ১৮ মিলিয়ন টন; সেখানে ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫৭ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন টনে।

কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে চীন এখন ‘বিশ্ব উৎপাদন কারখানায়’ পরিণত হয়েছে। ১৯৫২ সালে মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ৫৪ ডলার, যা এখন ৯৭৩২ ডলার, অর্থাৎ ১৮০ গুণ বেশি। ১৯৫২ সালে জিডিপির পরিমাণ ছিল মাত্র ৬৭.৯ বিলিয়ন ইউয়ান, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০০৩১ বিলিয়ন ইউয়ানে। ১৯৫২ সালে রিজার্ভ ছিল মাত্র ১০৮ মিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালে এর পরিমাণ ৩০৭২৭০০ মিলিয়ন ডলার।

চীন এখন রফতানি করে ৪৬০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, ১৯৫০ সালে যা ছিল মাত্র ১.১৩ বিলিয়ন ডলার। প্রায় ৮০ কোটি মানুষকে চীন দারিদ্র্যসীমা থেকে বের করে আনতে পেরেছে। চীন এখন ১৪ দশমিক ১৭ ট্রিলিয়ন (১৩৬১০০০০ মিলিয়ন) ডলারের অর্থনীতি, যা বিশ্বে দ্বিতীয় (কিন্তু পিপিপির হিসাবে প্রথম)। চীনের অর্থনীতির ৬০ শতাংশ এখন নিয়ন্ত্রণ করে ব্যক্তিগত খাত। আর ৮০ শতাংশ চাকরি হচ্ছে ব্যক্তিগত খাতে।

সুতরাং এই চীনকে অস্বীকার করা যাবে না। কেমন হবে আগামীর চীন? চীনে একদলীয় সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা বহাল থাকবে, যা ধ্রুপদী মার্কসবাদ অনুসরণ করবে না। সেনাবাহিনী পার্টির প্রতি এখনও অনুগত। এখানে পশ্চিমা কিংবা জাপানি মডেলের গণতন্ত্র বিকশিত হবে না। অনেকটা ‘সিঙ্গাপুর মডেলে’ একদলীয় শাসন, কঠোর দুর্নীতিমুক্ত একটি শাসনব্যবস্থা ধীরে ধীরে চীনে বিকশিত হবে। তবে সিঙ্গাপুর মডেলের সঙ্গে পার্থক্য এখানে যে, ‘সিঙ্গাপুর মডেল’ পশ্চিমা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি কিছুটা ধারণ করে।

আর চীনে সমাজতন্ত্র ও বাজার অর্থনীতির সমন্বয়ে একটি সমাজব্যবস্থা বিকশিত হচ্ছে; যেখানে সিঙ্গাপুরের মতো দু’একটি বিরোধী দলের উপস্থিতি এখন অব্দি লক্ষ করা যাচ্ছে না। সুতরাং চীনকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের আগ্রহ থাকবেই। বিল গেটস স্বীকার করেছেন, বিশ্বের উন্নয়নে চীন একটি ফ্যাক্টর। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই ‘চীনা উন্নয়ন’ বিশ্বকে কতটুকু বদলে দেবে? চীনের অর্থনৈতিক সক্ষমতা কি চীনকে আদৌ একটি ঔপনিবেশিক শক্তিতে পরিণত করবে?

যদিও ইতিহাস বলে, চীন অতীতে কোথাও কোনো উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করেনি। কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালিয়ে সেই দেশটি দখলও করেনি। বরং উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া ও আফ্রিকাকে সাহায্য করেছে। তবে ‘চীনা ভূমিকা’ নিয়ে বিতর্ক যে নেই, তা নয়। এখন দেখার পালা আগামী দিনে চীনের ভূমিকা কী হয়।

About khan

Check Also

যেদিন হতে পারে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জানালেন ডিপিই মহাপরিচালক

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ শেষ করা হয়েছে। ৪১ ও ৪২তম ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *